ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরে
ন্দ্র মোদির আসন্ন বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য তিনটি চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর মধ্যে দুটি প্রটোকলও রয়েছে। ১ জুন ঢাকায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, বাংলাদেশে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসটিআই এবং ভারতের ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড কো-অপারেশনের মধ্যে একটি চুক্তি হবে, যার ভিত্তিতে একে অপরের মান সংক্রান্ত সনদ গ্রহণ করবে। এ ছাড়া পরস্পরের মধ্যে ঠিক করা নির্ধারিত সময়ে পণ্যের মান নির্ণয় করবে। একই সঙ্গে একে অপরের মান নির্ণয়ের পদ্ধতি সমন্বয় করবে, যাতে পণ্যের মান একই ধরনের হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে।
বৈঠকের আরেকটি চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচল করতে পারবে। একই সঙ্গে ঢাকা-সিলেট-শিলং-গৌহাটি রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচল করতে পারবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এতে দুই দেশ সমান সুযোগ-সুবিধা পাবে। তবে এ ক্ষেত্রে রুট পারমিট লাগবে।
এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (সংশোধন) আইন ২০১৫-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অন্য দেশের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে (জিটুজি) অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা যাবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এত দিন শুধু বিদ্যমান আইনে চার ধরনের অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সুযোগ আছে। সেগুলো হলো সরকারি মালিকানাধীন, বেসরকারি মালিকানাধীন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে করা অঞ্চল ও বিশেষায়িত অঞ্চল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি জাপানসহ বিভিন্ন দেশ সফরের সময় সরকারের সঙ্গে সরকারের মধ্যে এ ধরনের অঞ্চল করার আগ্রহের কথা জানানো হয়েছিল। সেই আগ্রহে সাড়া দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ছাড়াও সভায় জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ ছাড়া এত দিন সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় এ ধরনের অঞ্চল করার সুযোগ ছিল না। প্রস্তাবিত আইনে ওই সব এলাকায় আইসিটি শিল্পের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


