বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ফেরানো যাবে না আর…

Hemanto-Mukhejee-হেমন্তমুছে যাওয়া দিনগুলি আজও পিছু ডাকে। দিন চলে যায়, সবাই বদলায়। কিন্তু, আছেন একজন, তিনি বদলান না। মেঘলা দিনে, একলা থাকলে তাঁর কথা মনে পড়ে। সূর্য ডোবার পালাতেও তিনি আছেন। লাজবতী নূপুরের রিনি ঝিনি ঝিনিতেও তাঁর কথা মনে পড়ে। আর এই পথ যদি না শেষ হয়…. তাতেও সর্বাগ্রে তাঁর কথাই মনে পড়ে। তিনি হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। আজ তাঁর ৭৬তম জন্মদিন।

বাংলা ছায়াছবি থেকে তাঁকে আলাদা করা যায় না। গায়ক হিসেবে তিনি অগুনতি ছবিকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গিয়েছেন। উত্তম-সুচিত্রার লিপে তাঁর গাওয়া গানগুলি আজও লোকের মুখে মুখে ফেরে। সলিল চৌধুরী, নচিকেতা ঘোষ, অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায়, রবীন চট্টোপাধ্যায়, রাজেন সরকারের সুরে “রানার” বা “নীড় ছোটো ক্ষতি নেই” এখনও গুন গুন করে অত্যাধুনিক যুবক যুবতি। কিন্তু, হেমন্তের সুরে “যখন ডাকল বাঁশি”, “বিষ্ণুপ্রিয়া”-ও তখন সাড়া দিলেন। সুরকার হিসেবেও হেমন্ত ছিলেন জনপ্রিয়।

১৯৩৫ সালে (মতান্তরে ১৯৩৩ সাল) হেমন্ত মুখোপাধ্যায় তাঁর প্রথম গান রেকর্ড করেন অল ইন্ডিয়া রেডিওতে। “আমার গানেতে এল নবরূপী চিরন্তন”। শৈলেশ দাশগুপ্তের অধীনে শুরু হয় তাঁর পথচলা। হিন্দুস্থানি ক্লাসিক্যালের শিক্ষা নেন তিনি ওস্তাদ ফৈয়জ় খানের কাছে। “নিমাই সন্ন্যাস” দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে তাঁর গান গাওয়া শুরু। তাঁর সময়ে রবীন্দ্রসংগীত থেকে ক্লাসিকাল, সব ঘরানাতেই একমেবদ্বিতীয়ম ছিলেন তিনি।

তাঁর জন্মদিনে আমরা কথা বলেছিলাম সংগীতশিল্পী হৈমন্তী শুক্লার সঙ্গে। আম বাঙালির মতো হেমন্ত আবেগে ভাসলেন তিনিও। বললেন, “হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এক অসাধারণ মানুষ ছিলেন। প্রতিভার দিক থেকে তো বটেই। মানুষ হিসেবেও তাঁর তুলনা চলে না। তবে উনি আছেন, থাকবেন। তবু মাঝে মাঝে হেমন্তদার সঙ্গে কথা বলা, তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া, সেগুলো ভীষণ মিস করি।” আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর জীবনের কিছু স্মৃতি।

বিনোদন ডেস্ক

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

 

আরও পড়ুন