প্লেনের চাকার ভেতরের বক্সে লুকিয়ে যেতে চেয়েছিলেন লন্ডন। সুযোগ বুঝে উঠেও ছিলেন চাকার ভেতরের ফাঁকা জায়গাটিতে। কিন্তু লন্ডন গেল তার প্রাণহীন দেহ। বৃহস্পতিবার ১৮ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেন্সবার্গ থেকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি এয়ারক্রাফটের চাকার ভেতরে ফাঁকা স্থানটিতে বসে পড়েন ওই ব্যক্তি। তার সঙ্গী ছিলেন আরও একজন। প্লেনটি লন্ডনে পৌঁছার পর হিথ্রো এয়ারপোর্টে নামার সময় একজনের প্রাণহীন দেহ পড়ে যায় লন্ডনের রিচমন্ড শহরের একটি বাড়ির ছাদে।
গত বছর ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে বিমানের চাকায় লুকিয়ে ভ্রমণের সময় দুজনের মৃত্যু হয়।
বিমানটি হিথ্রোয় অবতরণের পর আরেকজনকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনিও চাকার মধ্যে লুকিয়ে লন্ডন পৌঁছার চেষ্টা করেন। যুক্তরাজ্যের পুলিশ জানায়, এ ঘটনার তদন্ত চলছে।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ সূত্র জানায়, তাদের বোয়িং ৭৪৭ বিমানটি বৃহস্পতিবার রাতে জোহানেসবার্গ থেকে লন্ডন অভিমুখে যাত্রা করে। প্রায় ১২ ঘণ্টা আকাশে ওড়ার পর লন্ডনের সময় সকাল ৭টা ২৬ মিনিটে হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তার আগে বিমানটি হিথ্রো বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলে বিমান থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ নিচে পড়ে যায়।
এয়ারপোর্টের গ্রাউন্ড অপারেশন সমন্বয়কারী বলেন, চাকার ভেতর ঢোকা খুব কঠিন কাজ নয়। কিন্তু বিমান উড্ডয়নের পর অনেকেই মারা যান। সেখানে খুব একটা বেশি ফাঁকা জায়গা থাকে না, চাকার মাপ অনুযায়ীই ওই বক্সটি তৈরি হয়। এছাড়া আকাশে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণেও সেখানে কারও বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
নিউজ ডেস্ক
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


