সদ্য প্রকাশিত হওয়া এসএসসির ফলাফল প্রকাশে যে বোর্ডগুলো চরম খামখেয়ালী ও দায়িত্বহীন আচরণ করেছে তার প্রমাণ হাতে নাতে পাওয়া গেল। শনিবার ২০ জুন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পুনঃনিরীক্ষিত ফলে দেখা যায় ১৯১ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। অন্য সাতটি বোর্ডের পুনঃনিরীক্ষিত ফলাফল এখনও প্রকাশ হয়নি; হলে জানা যাবে তাদের খামখেয়ালী কি পরিমাণ ছিল।
যাদের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে তারা রোববার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কলেজে ভর্তি আবেদন করতে পারবেন।
চট্টগ্রাম বোর্ডের নয় হাজার ৭৮৬ জন শিক্ষার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ২২ হাজার ৫২৩টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়। এতে মোট ১৯১ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এরমধ্যে ৪৪ জন ফেল করা পরীক্ষার্থী পাস করেছে। জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে মোট ৮৮ জনের। দুই জন ফেল করা শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাহবুব হাসান বলেন, অন্য জিপিএ পাওয়া ২১ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পাওয়াদের মধ্যে পয়েন্ট পরিবর্তন হয়েছে ৫৪ জনের।
এবার সবচেয়ে বেশি চার হাজার ২৮৬টি আবেদন জমা পড়েছিল গণিত বিষয়ের খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য।
গত ৩১ মে ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষক ও শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তারা জানান, গণিতে খারাপ ফলাফলের কারণেই এবার চট্টগ্রামে পাশের হার কমেছিল।
২০১৪ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯১ দশমিক ৪০ শতাংশ। এবার তা কমে দাঁড়ায় ৮২ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
২০১৪ সালে পুনঃনিরীক্ষণের পর ফল পরিবর্তন হয়েছিল ১১৩ জনের।


