১৯৬৫৷ পাকিস্তান-ভারতের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। সে সময় একমাসেরও কিছু বেশি সময় ধরে চলা দুই প্রতিবেশি দেশের সেই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে জাতিসংঘের মধ্যস্ততায় ১৯৬৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। যদিও ভারত-পাকিস্তান দু-দেশেরই দাবি যুদ্ধ তারাই জিতেছে৷
এখন খবর হল সেই যুদ্ধ জয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে মোদি সরকার৷ মহা সমারোহই বটে! খরচ পড়বে ৩৫ কোটি টাকা৷ ২৮ আগস্ট থেকে টানা একমাস চলবে উদযাপন৷ ১৯৬৫-তে ওইদিনই বর্তমানে পাক অধিকৃত হাজি পির পাস জয় করেছিল ভারতীয় সেনা৷ সেইদিন যাঁরা ওই অভিযানে সামিল ছিলেন সেইসব সেনাদের সম্মানীত করা হবে৷
২০ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের আদলে মিনি প্যারেড হবে৷ হেলিকপ্টারে চড়ে দুর্ধর্ষ সব স্টান্ট দেখাবেন বায়ুসেনার কমান্ডোরা৷ ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর শক্তি প্রদর্শনের মহড়াও হবে রাজপথে৷ অনেকটা যেমন প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি হয়ে থাকে৷ এক মাসের উৎসবে উপস্হিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ থাকবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর৷
১৯৬৫-তে বুরকি, খেমকরন, আসল উত্তর, ফিল্লোরা, পর্বত আলি, ভুজ মোনাবাও ও ডোগরাই সে’র জয় করেছিল ভারতীয় সেনা৷ সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলবে বিশেষ বিজয়োৎসব৷ ৫০ বছর আগে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী৷ তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানোর পরিকল্পনা মোদি সরকারের৷
বস্তুত, শাস্ত্রীর ‘জয় জওয়ান, জয় কিসান’ স্লোগান তোলার সময় এটাই৷ কারণ কেন্দ্রের জমি অধিগ্রহণ বিল দেশের কৃষিজীবীদের খেপিয়ে তুলেছে৷
অন্যদিকে লম্বা চওড়া প্রতিশ্রুতি দিয়েও এ পর্যন্ত ‘ওয়ান র্যাঙ্ক, ওয়ান পেনশন’ প্রকল্প চালু না করায় সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ প্রাক্তন সেনারা৷ ‘ইন্ডিয়ান এক্স-সার্ভিসমেন মুভমেন্ট’-এর তরফে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সতবীর সিং জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ওয়ান র্যাঙ্ক, ওয়ান পেনশন’ চালু না হলে তাঁরা ওই অনুষ্ঠানে যাবেন না৷
কলকাতা ব্যুরো
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


