ইন্দোনেশিয়ার মেডান শহরে সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে, ১৪১ জনে। এর মধ্যে ৩ জন দুর্ঘটনাস্থলের বাসিন্দা। বিমানটিতে ঠিক কতজন আরোহী ছিলেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই নিহতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আরোহীদের বেশিরভাগই সেনা সদস্যদের আত্মীয়-স্বজন। এ পর্যন্ত মিলেছে ৮৪ জনের মরদেহ। মেডানের সেনাঘাঁটি থেকে ওড়ার কিছুক্ষণ পরই একটি আবাসিক ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে বিমানটি। পরে এতে আগুন লেগে যায়।
বিমানবাহিনীর প্রধান আগুস সুপ্রিয়ানা জানান, দুর্ঘটনার শিকার সি-১৩০ হারকিউলিস বিমানটিতে থাকা ১১৩ জনের মধ্যে ছিলেন ১০১ জন যাত্রী ও ১২ জন ক্রু।
কেউ বেঁচে আছেন কিনা এ ব্যাপারে বিমানের এ কর্মকর্তা বলেন, না না, কেউ বেঁচে নেই। আমি এমাত্র ঘটনাস্থল থেকে ঘুরে এসেছি। এর আগে কর্তৃপক্ষ বিমানটিতে অন্তত ৪৫ জন ছিল বলে জানিয়েছিল। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মীরা বিমানে থাকা সবাইকে উদ্ধারে জোর চেষ্টা শুরু করেন। স্থানীয়ভাবেও সহযোগিতা করা হয় আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের।
স্থানীয় টেলিভিশনের ফুটেজে একটি আবাসিক এলাকায় ঘরবাড়িতে ও কয়েকটি হোটেলে আগুন জ্বলতে ও কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।ইন্দোনেশিয়া বিমানবাহিনীর হারকিউলিস মডেলের এ বিমান আবাসিক এলাকার দুটি বাড়ি ও একটি গাড়ির ওপর বিধ্বস্ত হয় এবং সেখানে আগুন ধরে যাওয়ায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
বিমানটি মেদান থেকে প্রত্যন্ত নাটুনা দ্বীপে যাচ্ছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলট কারিগরি সমস্যার কথা জানিয়ে ঘাঁটিতে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন বলে স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধমের খবরে বলা হয়েছে। এদিকে বিমানটি কী কারণে দুর্ঘটনার শিকার হল তা খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছেন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা।
ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


