২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনাসহ ২ হাজার ৭৯ জন নারী বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ সময় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৪৯২টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৯৯ জনকে। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৪৬ নারী। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ৬৩ জনকে। বৃহস্পতিবার ২ জুলাই বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
পরিষদের লিগ্যাল এইড উপপরিষদের তৈরি করা তথ্য অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছয় মাসে ৩৩৬ জন নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে ২২ জনকে। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৭২ জন। এর মধ্যে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে ৯৭ জনকে।
বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে ৪০ জন। গৃহকর্মী ৩৮ জন নির্যাতনের শিকার হয়। ৩৮ জনের মধ্যে ২৩ জনকেই হত্যা করা হয়।
শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন ৪৫ জন। যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৩ জন। অ্যাসিডদগ্ধ হয়েছেন ১৯ জন। অগ্নিদগ্ধ ২৭ জনের মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে মোট ৪৪ জন। নারী ও শিশু পাচারের শিকার ৪৭ জনের মধ্যে যৌনপল্লিতে বিক্রি করা হয় ১০ জনকে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ছয় মাসে উত্ত্যক্ত করা হয়েছে ১৮৬ জনকে। এর মধ্যে ১৩ জন আত্মহত্যা করেন। এই সময়ে ফতোয়ার শিকার হয়েছেন ১৪ জন। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন ১৫৬ জন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৭৭ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। ২৭ জন পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন। শারীরিক নির্যাতন করা হয় ১২৪ জনকে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


