ক্রিকেটারদের অনুশীলনের তথ্য সংগ্রহ ও প্রাকটিসের ভিডিও ফুটেজের জন্য ঢাকায় ড্রোন এনেছে দক্ষিণ আফ্রিকা দল। বাংলাদেশ দলকে মোটেই যে হালকাভাবে নিচ্ছে না তারা, এটাই তার প্রমাণ! তবে বাংলাদেশের নিরাপত্তাবিধি অনুযায়ী ভাসমান যেকোনো যান ব্যবহারের পূর্বানুমতি নিতে হয়। যে কারণে তাদের এই প্রযুক্তি নিয়ে সবার আগ্রহ থাকলেও এটি নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় তারা বন্ধ রেখেছে।
পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সৌজন্যে ড্রোন শুনলেই অনেকেই হয়তো আঁতকে ওঠেন। পাইলটবিহীন বিমান দিয়ে জঙ্গিদের ওপর বোমা হামলা চালিয়েই তো আলোচনায় এল এই ড্রোন। তবে সব ড্রোনের কাজই তো আর বোমা ফেলা নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল যেটি ব্যবহার করছে, তাতে বসানো আছে ক্যামেরা।
বুধবার ১ জুলাই মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অনুশীলনের সময় শূন্যে ভেসে বেড়াতে দেখা গেছে এই ড্রোনটিকে। কিন্তু বাংলাদেশের নিরাপত্তাজনিত আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এটি। গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জাতীয় ও সাধারণ নিরাপত্তার স্বার্থে বিনা অনুমতিতে যেকোনো ধরনের অনুল্লিখিত শূন্যে ভাসমান যন্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা দলকে ড্রোনটি ব্যবহার করার জন্য লিখিত অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিক্রেট দলের ম্যানেজার মোহামেদ মুসাজি বলেছেন, ‘ইউটিউব চ্যানেলে যেন আরও দারুণ কিছু ছবি আমরা দিতে পারি এ কারণে আমাদের দলের একজন টিভি ক্রু এই ড্রোনটা এনেছে। আমরা জানতাম না বাংলাদেশের আকাশ সীমার আইনে এটি ব্যবহার করা অন্যায়। জানা মাত্রই আমরা সেটি ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছি। বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আমরা ক্ষমা চাইছি যদি এ কারণে কোনো অসুবিধার সৃষ্টি হয়ে থাকে।’
দক্ষিণ আফ্রিকা দল জানিয়েছে, বাংলাদেশে যে এমন একটা আইন আছে, তা তারা জানত না। জানলে অবশ্যই আগে থেকে অনুমতি নিত। তবে তার পরও দক্ষিণ আফ্রিকা দলের পক্ষ থেকে আইন ভঙ্গ করায় ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে।
এএফপি অবলম্বনে ক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


