ঈদুল ফিতর নিজ আত্মীয় স্বজনদের কাছে যেতে বাড়ি ফেরার ভোগান্তি কমাতে এবারও পোশাক কারখানাগুলোতে ১৪ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে ছুটি দিতে বলেছে সরকার। বুধবার ৮ জুলাই সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পোশাক কারখানার শ্রমিক কল্যাণ’ বিষয়ে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
কবে কোন প্রতিষ্ঠানে ছুটি দেওয়া হবে- তা কারখানা কর্তৃপক্ষ নিজেরা সমন্বয় করে নেবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সভাপতিত্বে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা এবং আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা এ সভায় অংশ নেন।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কামাল বলেন, আমরা সব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৪ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে সব পোশাক শ্রমিককে ঈদের ছুটি দেও্য়া হবে। তিনি বলেন, একসঙ্গে সবাইকে ছুটি দিলে মহাসড়কে চাপ সৃষ্টি হয় বলেই ঈদের আগের দিন পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, অনেক কারখানায় বেতন দেওয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বোনাস ১০ তারিখ থেকে দিতে শুরু করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া বেতন-ভাতা বণ্টন তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
গত ২ জুলাই গার্মেন্ট মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি’র সঙ্গে সভা করে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু জানান, তৈরি পোশাক খাতসহ সব কারখানায় শ্রমিকদের জুন মাসের বেতন ১০ জুলাই এবং উৎসবভাতা ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।
আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, যেসব শিল্প কারখানা বেতন-বোনাস দিতে পারবে না, তাদের বিষয়টি তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু করবে। সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সুষ্ঠুভাবে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে শিল্প এলাকার ব্যাংকগুলোকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত খোলা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে বলেও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


