প্রয়োজনের চেয়ে বেশি উত্তোলনের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও কমতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) শুক্রবার ১০ জুলাই এ কথা বলেছে।
আইইএ বলছে, এখন যে বিপুল পরিমাণে তেল উৎপাদন হচ্ছে, বিশ্ববাজার তা নিতে পারছে না। ২০১৬ সালের পুরোটা জুড়ে এভাবে চললে তেলের দাম কমতে পারে। এর ফলে গত বছরের গ্রীষ্মে তেলের দাম পড়ার পর থেকে তেলের দামের নিম্নমুখীতা অব্যাহত থাকল। গত বছরের জুনে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ১১৫ ডলার। এ বছরের জানুয়ারিতে তা ৪৫ ডলারে নেমে আসে। বর্তমানের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৯ টাকা।
আইইএর দেওয়া তথ্য মতে ওপেকভুক্ত দেশ ইরাক, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ওপেকভুক্ত দেশসমূহে তেল উৎপাদনের পরিমাণ উল্লেখ্যযোগ্য হারে বেড়েছে। ওপেকভুক্ত দেশসমূহে জুনে দিনপ্রতি তেল উৎপাদনের পরিমাণ ৩ লাখ ১৭ হাজার ব্যারেল থেকে বেড়ে ৩ লাখ ৪০ হাজারে ব্যারেলে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ইরাক ও সৌদি আরবে অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
আইইএর গত মাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের দ্বিতীয় অংশে তেলের মাত্রাতিরিক্ত সরবরাহ হয়েছে এবং তা আজ পর্যন্ত তা অব্যাহত আছে। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের পরিস্থিতির ফলে এটি বোঝা গেল যে, ভূমিতে তেল সংরক্ষণের স্থান যথেষ্ট নয়।
জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংস্থার (ওপেক) মূল সদস্য দেশগুলো গত বছরে যে পরিমাণ তেল উৎপাদন করছিল, এ বছর তেলের দামের পতন সত্ত্বেও তারা একই পরিমাণে তেলের উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। তেলের দামের হ্রাস সত্ত্বেও ওপেক তেল উৎপাদন কমাতে রাজি হয়নি। উল্লেখ্য, তেলের দাম কম হলেও অনেক ওপেক দেশেই এর প্রভাব পড়বে না। এ ছাড়া ওপেকভুক্ত দেশগুলোর বাইরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রেও তেলের উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে।
কলকাতা ব্যুরো
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


