নিয়োগ পাওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সারাজীবন কাজের জন্য পুরস্কার পেয়েছি, এবার এলজিআরডি থেকেও মেরিট ইনক্রিমেন্ট পাবো। এছাড়া সাংবাদিকদের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি কানে কানে পরামর্শ দিতে বলেছেন তিনি। শুক্রবার ১০ জুলাই ফরিদপুর শহরের কবি জসীম উদদীন হলে ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে অনুদান প্রদানের এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।
এলজিআরডি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যম তির্ষকভাবে কিছু লেখেনি। শুধু বলেছে, রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞতা কম। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে রাজনীতি করছি, আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কম নয়। বলা হয়, জেলে না গেলে নাকি রাজনৈতিক পরিপক্বতা আসে না। কিন্তু আমি জেলে না গেলেও ঘুরে দেখতে গিয়েছি।’
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া সম্পর্কে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আমার ওপর আস্থা রেখে প্রধানমন্ত্রী এ দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শুধু আমার ওপর আস্থা রাখেননি, তিনি আস্থা রেখেছেন সমগ্র ফরিদপুরবাসীর ওপর।’
মন্ত্রী বলেন, ‘লক্ষ্য নির্ধারণ না করে ছোট একটা দৌড় প্রতিযোগিতারও আয়োজন সম্ভব নয়। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য আছে বলেই এগিয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই পাঁচ বছর ধরে বিশ্বব্যাপী মন্দাও আমাদের কাবু করতে পারেনি। এ মন্দায় আমেরিকা, জাপানের মতো দেশের প্রবৃদ্ধি পড়ে গেছে, কিন্তু আমাদের প্রবৃদ্ধি না বাড়লেও ৬ দশমিক ৫-এ স্থির রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘উনি একমাত্র নেত্রী, যিনি বিশ্বব্যাংকের চোখ রাঙানিতে ভয় পাননি। বিশ্বব্যাংক সরে গেলে আমরা নিজের চেষ্টায় পদ্মা সেতুর কাজে হাত দিয়েছি। ইতিমধ্যে পদ্মা সেতুর ৩০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।’
নিজের কর্মজীবনের শুরু থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বহুবার পুরস্কৃত হয়েছেন—এমনটা দাবি করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বের সঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের কাজ করে ‘মেরিট ইনক্রিমেন্ট’ পাবেন।
পরে মন্ত্রী বিভিন্ন তহবিল থেকে ১৮৭ জন শিক্ষার্থী, ব্যক্তি, শিল্পী ও শিক্ষক এবং ২৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনুদান বাবদ ২১ লাখ ১৩ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে জেলেদের মধ্যে পাঁচটি পরিবেশবান্ধব জাল বিতরণ করা হয়।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


