বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ওডিআই সিরিজের প্রথম ম্যাচে বৃষ্টির বাধা পড়ায় ১০ জুলাইয়ের প্রথম ম্যাচটি ৪০ ওভার করে খেলার সিদ্ধান্ত হয়। টসে জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ।
মাহমুদউল্লাহ ফিরলেন একাদশে। জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর আবার একাদশে লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন। একাদশে জায়গা হয়নি রুবেল হোসেনের। আরাফাত সানি আর এনামুল হকেরও। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে সেই ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্সের পর সর্বশেষ আট ওয়ানডেতে আট উইকেট—এ কারণেই হয়তো রুবেলকে ছেড়ে দিতে হলো জায়গা। ম্যাচের আয়তন কমে আসায় বাংলাদেশ কী রণকৌশল নিয়েছে কে জানে। ৪০ ওভারে নেমে এলেও দলে আট ব্যাটসম্যান। নাসিরকে ব্যাট করতে হবে আটে নেমে!
উইকেট কম পেলেও রুবেল বেশ ভালো বোলিং করছিলেন। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে মার খেলেও আগের ওয়ানডেতেই ৭ ওভারে মাত্র ২৬ রানে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। রুবেলেকে বাদ দেওয়ার পাশাপাশি ভেজা কন্ডিশনে আগে ব্যাটিংয়ে নামার সিদ্ধান্তটাও অনেককে অবাক করেছে নিশ্চয়ই।
ওভার যেহেতু কমেছে, একজন ব্যাটসম্যান কমিয়ে বাড়তি একজন স্পেশালিস্ট বোলার খেলালেই হয়তো ভালো হতো। স্পেশালিস্ট বোলার তিনজন—মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুস্তাফিজুর রহমান আর জুবায়ের। সাকিব আল হাসানের বাঁ হাতি স্পিন থাকছে। আর পার্টটাইম বোলার হিসেবে নাসির হোসেন, মাহমুদউল্লাহরা তো থাকলেনই। তবে কে জানে, একজন বাড়তি বোলারের অভাবটাই শেষ পর্যন্ত না ভোগায় বাংলাদেশকে।
স্পিনকেই আক্রমণের ভরসা মানছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা দলে অবশ্য স্পেশালিস্ট স্পিনার কেবল ইমরান তাহির। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে যথেষ্ট ভোগানো জেডি ডুমিনিও থাকছেন।
বাংলাদেশ: তামিম, সৌম্য, লিটন, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিক, সাকিব, সাব্বির, নাসির, মাশরাফি, জুবায়ের ও মুস্তাফিজ।
ক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


