আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করার বিষয়টি এখন দেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। সৎ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে কখনও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। তার আকস্মিক প্রস্থানে সরকার ও বিরোধী দলসহ বিদেশী কূটনীতিকরাও অবাক হয়েছেন।
সৈয়দ আশরাফের অপসারণের বিষয়ে কিশোরগঞ্জের বিএনপি নেতা মেজর(অব: ) আখতারুজ্জামানকে বলেছেন, গুরুতর দুনীতির অভিযোগ উঠেছে এমন মন্ত্রীদের বহাল রেখে আওয়ামী লীগের মধ্যে অপেক্ষাকৃত সৎ মানুষ হিসেবে পরিচিত একজনকে সরিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেরই মার্যাদা ক্ষুন্ন করেছেন।
অনুরূপ মন্তব্য করে সিপিবি নেতা রূহীন হোসেন প্রিন্স বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার ক্ষমতা আরো কুক্ষিগত করতেই সৈয়দ আশরাফের বদলে তার নিকটাত্মীয়কে এলজিআরডি’র মত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রনালয়ে বসিয়েছেন।
এদিকে, সৈয়দ আশরাফের অপসারণের বিষয়ে বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন,‘এটি শাসকদল ও সরকারের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে কী কারণে তাকে সরিয়ে দেয়া হলো, সরকারের উচিত তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করা।’
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


