সিলেটে তের বছরের শিশু সামিউল আলম রাজনের হত্যাকারী সৌদি আরবে আটক হওয়া কামরুলকে ঈদের পরই দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। বলেছেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আরো বলেন, বাংলাদেশ থেকে কামরুলকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করা হয়েছে অথচ সৌদি প্রবাসিরা তাকে আটক করেছেন। প্রবাসিদের এই ভূমিকার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।
শুক্রবার ১৮ জুলাই বিকেলে সিলেট সদর উপজেলায় নিহত শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনের কান্দিগাওস্থ বাদেআলী গ্রামে তার মা-বাবাকে শান্তনা দিতে যান অর্থমন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রী জানান, রাজনের একমাত্র ভাইয়ের লেখাপড়া ও তাদের পরিবারের নির্বিঘ্নে জীবনযাপন নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে একটি ফান্ড গঠন (এফডিআর) করে সেখানে ৫ লাখ টাকা রাখা হবে।
রাজনের বাড়ি থেকে বের হয়ে মন্ত্রী স্থানীয় এলাকাবাসী আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, রাজনকে যারা হত্যা করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, একটি ছেলেকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হলো অথচ কেউ এগিয়ে এলো না। কেউ প্রতিবাদ করলো না। কেবল ঘাতক নয়, এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদেরও বিচার হওয়া উচিত বলে্ও মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলের এই মন্ত্রী।
মুহিত বলেন, বিচার ব্যবস্থায় যাতে কোন রকম ফাঁক না থাকে সেভাবেই বিচার নিশ্চিত করা হবে। এই ঘটনার সাথে যাদের নূন্যতম সংশ্লিষ্টতা আছে তারাও রক্ষা পাবে না।
তিনি আরো বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। এই বিচার আমি অবশ্যই নিশ্চিত করব। আমার পক্ষ থেকে আমি সব ধরনের ব্যবস্থা নেব।
এই হত্যা মামলার প্রধান আসামী কামরুলের বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, কামরুলকে পালিয়ে যেতে যারা সহযোগিতা করেছে তারাও রেহাই পাবে না। তাদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তিনি বলেন, কতিপয় পুলিশ রাজনের বাবার দেয়া মামলা নেয়নি। উল্টো তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। এটা লজ্জার ব্যাপার। যারা রাজনের বাবার সাথে খারাপ আচরণ করেছেন তাদের তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে।


