চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কোকেন আমদানির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সিএন্ডএফ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে দ্রুততম সময়ে এ পর্যন্ত তদন্তে পাওয়া তথ্য ও অগ্রগতি প্রতিবেদন আকারে দাখিলের জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
২১ জুলাই মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদ আলম এ আদেশ দেন।
এর আগে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিলো। শুনানি শেষে আদালত ১০ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলাটি তদন্ত করছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার (উত্তর) মো.কামরুজ্জামান।
গত ৬ জুন রাতে তরল কোকেন সন্দেহে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সানফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। আদালতের নির্দেশে আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় আর্মড ফোর্সেস ফুড এন্ড ল্যাবরেটরিজ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং সিআইডিতে। সিআইডির রাসায়নিক পরীক্ষায় ৯৬ নম্বর ড্রামের তেলে কোকেনের উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি।
সাইফুলকে ১৪ জুলাই নগরীর আগ্রাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৫ জুলাই তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছিল। আদালত ২১ জুলাই শুনানির সময় নির্ধারণ করেছিলেন।
কোকেন আমদানির মামলায় এ পর্যন্ত ৬জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। সাইফুল ছাড়া বাকিরা হলেন- আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের মালিকানাধীন প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল, কসকো শিপিং লাইনের ম্যানেজার এ কে আজাদ, গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম এবং আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল।
সিএমপি উপপুলিশ কমিশনার কুসুম দেওয়ানের নেতৃত্বে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।


