বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসের পেছন থেকে আরেকটি বাসের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধ শতাধিক।
মঙ্গলবার ২১ জুলাই বিকালে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার মির্জাপুর চারা বটতলা এলাকায় সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে।
আহতদের পাটকেলঘাটার বিভিন্ন ক্লিনিক ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
নিহতরা হলেন- যশোরের গোপালপুর এলাকার শহর আলীর সাহেব আলী (৪৫) এবং বাসের হেলপার তপন কুমার (৩০)। তপনের বাড়ী খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া গ্রামে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফরহাদ জামিন বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ১২ জনকে তাদের ওখানে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে নিয়ে আসার পর সাহেব আলী ও তপন কুমার মারা যান। আরও কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস মির্জাপুর চারা বটতলা এলাকায় যাত্রী নামানোর সময় বিপরীত দিক থেকে আরেকটি বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়।
এতে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আহতদের আশপাশের ক্লিনিক ও হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা।
ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। আহতদের চিকিৎসা দিতে বিলম্ব করায় পাটকেলঘাটায় ডা. মধু সুধনের স্বাগতা ক্লিনিকে ভাংচুর চালায় বিক্ষুব্ধ লোকজন।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


