বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ছোটবোনসহ মেডিকেলের ছাত্রীর পানিতে ডুবে: হাসপাতালে অবহেলা

waterকলেজের এক ছাত্রীসহ দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকি ইউনিয়নের মহিষাখোলা গ্রামে পানিতে ডুবে। শুক্রবার ২৪ জুলাই দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই বোন হলেন ঝুমা (২৩) ও জুঁই (১৬)। ঝুমা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের বাবার নাম আমজাদ হোসেন।

খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেবেকা খান নিহত ঝুমা ও জুঁইয়ের বাবার বরাত দিয়ে বলেন, শুক্রবার দুপুর একটার দিকে তিনি দুই মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। পরে জানতে পারেন, দুই বোনই বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে গেছেন। পরে পুকুর পাড়ে গিয়ে ঝুমাকে পানিতে ভাসতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করলেও জুঁই ছিলেন নিখোঁজ।

প্রতিবেশীদের সহায়তায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর ওই পুকুরের পানি থেকেই জুঁইকে উদ্ধার করা হয়।

এরপর দ্রুত গ্রামের পাশে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

নিহতদের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সেখানে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেখানে কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি।

খোকসা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল চিকিৎসক কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, দুই বোনকে দুপুর ২টা দুই মিনিটে হাসপাতালে আনা হয়। সেই সময় হাসপাতালেই দায়িত্বরত ছিলেন চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম। আর তিনি তখন নামাজ পড়ছিলেন। কামরুজ্জামান সোহেলের দাবি, মৃত অবস্থায় দুই বোনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

তবে ইউএনও রেবেকা খান বলেন, ‘ঝুমা ও জুঁইকে যখন হাসপাতালে নেওয়া হয়, তখন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো ডাক্তার ছিল না, দ্যাটস ট্রু (এটা সত্য)। সেটি নিয়ে কাজ করছি। একটি প্রতিবেদন তৈরি করছি। জীবিত হোক বা মৃত হোক, হাসপাতালে চিকিৎসক কেন থাকবেন না।’

সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন