তরুণরাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দেশের অগ্রগতি এমনি এমনি হয় না, এ জন্য দলের (আওয়ামী লীগের) সকল নেতাকর্মী ও কর্মচারীর অক্লান্ত পরিশ্রম রয়েছে। ঢাকার আগারগাঁও বিসিসি ভবনের অডিটোরিয়ামে রবিবার ২৬ জুলাই সকালে ৫০০ অ্যাপসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ আশা ব্যক্ত করেন তিনি। ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষক ও সৃজনশীল অ্যাপস উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এসব অ্যাপস উদ্বোধন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয় বলেন, ‘তথ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়নে এ সরকার প্রতিনিয়তই কাজ করে চলছে। দেশের অগ্রগতি এমনি এমনি হয় না। এ জন্য দলের সকল নেতাকর্মী ও কর্মচারীর অক্লান্ত পরিশ্রম রয়েছে।’
অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমদ পলক উপস্থিত ছিলেন।
জয় বলেছেন, কানেক্টিভিটি বাড়াতে বাংলাদেশের নানা প্রান্তে সাতটি নতুন ভকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক এই উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন করে যাবে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের গতি এমনি এমনি হয়নি। এটি হয়েছে সরকারের প্রতিটি কর্মচারীর মন্ত্রীর পরিশ্রমের বিনিময়।
জয় বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত দেশে প্রায় ৬০০ মোবাইল অ্যাপস তৈরি করেছি। যার মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা সহজে ভোগ করতে পারবে। এছাড়া এর মাধ্যমে তরুণদেরও ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
আইসিটি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এর আগে ৬ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষক ও সৃজনশীল অ্যাপস উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় ৫০০ নতুন অ্যাপ তৈরি কর্মসূচীর উদ্বোধন করে আইসিটি বিভাগ।
অ্যাপগুলোতে থাকছে নানা রকমের সুবিধা। অ্যাপগুলোর মাধ্যমে জনগণ খুব সহজে সারা দেশে কোন কোন যায়গায় রেল সুবিধা পাবে তার দিকনিদর্শণ পাবে। এর সঙ্গে ঢাকা ঢাকা ইলেক্টিক সাপ্লাই কোম্পানি, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন বোর্ডের সকল তথ্যসহ বিলও প্রদান করতে পারবে দেশের জনগণ।
জয় বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশের এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এ সুবিধা পাবে। ৫০০ অ্যাপলিকেশন ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টের ব্যবস্থাপক জি ফকরুদ্দিন আহমেদ বলেন, জনগণের দ্বার প্রান্তে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সেবা পৌঁছে দিতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করল। আশা করছি সাধরণ মানুষ এ সেবার মাধ্যমে উপকৃত হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা অ্যাপগুলেকে উন্নত করছি। অ্যাপগুলো খুব সহজে গুগোল স্টোরে পাওয়া যাবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি সক্রিয় মোবাইল কানেকশন রয়েছে। যার মধ্যে ৩০ ভাগই হচ্ছে স্মার্টফোনে। এদের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪ কোটি ৭৪ লাখের মতো।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


