বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

অজ্ঞান করে নানী-নাতনিকে গণধর্ষণ

rapeddপ্রতিপক্ষকে জব্দ করতে চেতনানাশক ঔষধ দিয়ে ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী (১৪) ও তার নানী (৪৮) গণ-ধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনার দু’দিন পর শুক্রবার সন্ধ্যায় এলাকাবাসি ওই ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী ও তার নানীকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। শনিবার তাদের ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

এঘটনায় স্কুল ছাত্রীর নানা শাজাহান গাজী বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় ৩ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

থানা পুলিশ শনিবার দুপুরে মঠবাড়িয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় নলী ভীমচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী ও তার নানীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠিয়েছে ।

থানা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্ব সাপলেজার ঝাটিবুনিয়া গ্রামের কৃষক শাজাহান গাজীর সাথে প্রতিবেশী চাচাতো ভাই বাদশা গাজির দীর্ঘদিন ধরে জমা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের প্রতিশোধ নিতে গত বুধবার রাতে বাদশা গাজি দক্ষিন সোনাখালী গ্রামের বাবুল (৪৫) ও সাফা গ্রামের জালাল (৪২) কে ভাড়া করে চেতনা নাশক ঔষধ দিয়ে ওই শাহজাহান গাজীর বাড়িতে পাঠায়।

বাবুল ও জালাল বিরোধের ফয়সালর নাম করে প্রতিপক্ষ শাহজাহান গাজীর ঘরে ঢুকে সুকৌসলে চেতনা নাশক ঔষধ সরবতের সাথে মিশিয়ে খাইয়ে দিলে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর বাবুল ও জালাল রাতভর পালাক্রমে দু’জনের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়।

মঠবাড়িয়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো: নাসির উদ্দিন জানান, এঘটনায় স্কুল ছাত্রী ও তার নানীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন