স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাম ভাঙিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচার ও ঘুষ দাবির পর সাভারে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই সময় ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত’ স্টিকার লাগানো একটি মাইক্রোবাস জব্দও করা হয়।
সোমবার গেন্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তাররা হলেন ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়দানকারী হাসান আলী মৃধা ও মাইক্রোবাস চালক মো. ইসমাইল।
ঢাকার মিরপুরে হাসান আলী মৃধার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
সাভারের গেন্ডা এলাকার সেবা ক্লিনিকের মালিক আব্দুস সালাম, সীমা জেনারেল হাসপাতালের মালিক গোবিন্দ আচার্য ও আরিফ জেনারেল হাসপাতাল এন্ড চাইল্ড কেয়ারের মালিক আরিফ বিল্লাহ বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার জন্য তিন জন পুলিশ নিয়ে হাসান আলী দলবল নিয়ে হাসপাতাল ঘুরে দেখে নানা অভিযোগ তোলেন।
পরে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করবে না জানিয়ে অর্থ দাবি করলে তাদের সন্দেহ হয় বলে জানান।
তারা জানান, পরে বিষয়টি হাসপাতাল মালিকদের সংগঠনের নেতাদের জানালে তারা পুলিশকে খবর দেয় এবং পুলিশ গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
ওই সময় প্রতারক দলের নারীসহ ৫ সদস্য কৌশলে পালিয়ে গেছে বলে জানান এই ব্যবসায়ীরা।
সাভার মডেল থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান বলেন, “অভিযান পরিচালনার জন্য ওই প্রতারকরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনপত্র নিয়ে এসেছিল।”
তাই চাহিদামতো তাদের সঙ্গে তিন জন পুলিশ নায়েক আবু তাহের, কনস্টেবল সুজন শেখ ও আরিফুল ইসলামকে দেওয়া হয় বলে তিনি জানান।
ওসি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই অনুমোদনের কপিটি যাচাইবাছাই করে ভুয়া প্রমাণিত হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল আজিম এ ঘটনায় চাঁদাবাজি মামলা নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান ওসি।
তিনি আরও বলেন, সেবা ক্লিনিকের মালিক আব্দুস সালাম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন।
মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুইজনসহ পালিয়ে যাওয়া হাফিজুর রহমান, মোস্তফা কামাল, মো. শিহাব আবুল কালাম আজাদ ও মোসাম্মত রত্না বেগমকে আসামি করা হয়েছে।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


