মঙ্গলবার ১৩ নভেম্বর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » কূটনীতি » বঙ্গবন্ধু খুনিদের ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ, পদক্ষেপ নেবে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র
বিশেষ নিউজ

বঙ্গবন্ধু খুনিদের ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ, পদক্ষেপ নেবে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র


NEWSWORLDBD.COM - August 13, 2015

shariar-barnikatযুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, দ্রুতই পদক্ষেপ নেবে তারা। এর জন্য বাংলাদেশকে আরও তথ্য দিতে বলেছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন ব্লুম বার্নিকেটের সাক্ষাতে এসব বিষয়ে কথা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, যারা যারা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন তাদের বিষয়ে আরও নতুন কোনো তথ্য থাকলে দিতে পারে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র জানান বার্নিকেট।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর বেশ কয়েকজন খুনির অবস্থান সনাক্ত করা হয়েছে। এসব খুনি যুক্তরাষ্ট্র, লিবিয়া ও কানাডায় অবস্থান করছে। পলাতক থাকা খুনিদের ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়তা পেতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার দুইটি ল’ ফার্মের সঙ্গেও ইতোমধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের সহায়তাও চাওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও লিবিয়ার কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এদিকে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, খুনি রাশেদ চৌধুরী রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে। তিনি কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন।

এছাড়া নূর চৌধুরী রয়েছেন কানাডায়। খন্দকার আব্দুর রশিদ রয়েছেন লিবিয়ার বেনগাজি শহরে। শরিফুল হক ডালিম কেনিয়ায় ব্যবসা করলেও তার যাতায়াত রয়েছে লিবিয়া ও পাকিস্তানে।

আব্দুল মাজেদ ও মোসলেম উদ্দিন পাকিস্তান কিংবা লিবিয়ায় থাকতে পারেন। তবে প্রায়শই তারা দেশ বদল করছেন বলে জানা গেছে। এসব দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে তাদের ওপর নজর রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে বলে জানায় সূত্রটি।

এক ঘণ্টাব্যাপী ওই বৈঠকে জিএসপি ফিরে পাওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) কোনো রাজনৈতিক কারণে যায়নি। এছাড়া এটি হারায়নি বাংলাদেশ। বরং স্থগিত রয়েছে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, পোশাক কারখানাগুলোর মান উন্নয়নে জোর দিতে বলা হয়েছিল বাংলাদেশকে। ইতোমধ্যে অগ্রগতি অনেক হয়েছে। তবে কিছু কিছু কারখানা পরিবেশগত উন্নতি সাধনে ধীর গতিতে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজন আরও উন্নতি। এছাড়া কোনো কারণ ছাড়াই চাকরি চলে যায় শ্রমিকদের। এটি রোধ করা দরকার।

পাশাপাশি উন্নতির ধারাতে দেশের পোশাকখাত ও শ্রমিকরা থাকলেও এটি ততটা দৃশ্যমান নয়। যা আরও দৃশ্যমান হতে হবে। নিরাপত্তা ও মান উন্নয়ন হলে এটি অধিক দৃশ্যমান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ 'লাইক' করতে পারেন (এই লাইনের নিচে দেখুন)...






-

Editor & Publisher: Anwarul Karim Raju

NEWSWORLDBD.COM
email: [email protected]
Phone: +8801787506342

©Titir Media Ltd.
News & Editorial: 39 Mymensingh Lane, Banglamotor
Dhaka-1205, Bangladesh.