বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোন পর্যায়ে বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেবেন শিক্ষামন্ত্রী

nahid১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবশ্যই নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়ার নির্দেশ দিলেও তা থেকে সরে এসে এখন কোন বিশ্ববিদ্যালয় কোন অবস্থায় রয়েছে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জানাতে বলেছে সরকার। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মিলনায়তনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক সভায় সবার বক্তব্য শুনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, কোন বিশ্ববিদ্যালয় কোন পর্যায়ে আছে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেনে বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেবেন। ফলে আবার ছাড় পেতে যাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সাত বছর পার হওয়ার পরও নিজস্ব ক্যাম্পাসে যায়নি, তাদের এ বছরের ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়ার সময় বেঁধে দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব ক্যাম্পাসে না গেলে সাময়িক সনদ বাতিল এবং নতুন শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেওয়া হয়েছিল গত বছর ২৬ জানুয়ারি জারি করা ওই নির্দেশনায়।

মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন নিয়ে মোট ৮৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। সাত বছর ধরে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে এমন ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৭টি সম্পূর্ণভাবে নিজস্ব ক্যাম্পাসে গেছে; ২৭টি আংশিক স্থানান্তর করেছে।

বৃহস্পতিবার মঞ্জুরি কমিশনের সভায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপাচার্যরা ক্যাম্পাস স্থানান্তরের জন্য আরও সময় দেওয়ার দাবি জানান। সেইসঙ্গে বাজেটে আরোপিত সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন তারা।

সবার মতামত শুনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তদারকিতে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে বছরে এক লাখ করে টাকা নেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করতে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেন মন্ত্রী।

এর আগে ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভের উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ প্রতিটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এক একর করে জমি দেওয়ার দাবি জানান।

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, ইউজিসির আর্থিক এবং আইনি ক্ষমতা বাড়ানো দরকার। যেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর আরও তদারকি করতে পারে ইউজিসি।

আরও পড়ুন