নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানের জন্য গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মন্দিরের নামে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত জিআরের চালের কোনো হদিস নেই। মন্দিরের নামে চাল আত্মসাতের বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হলেও কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। তবে এসব প্রকল্পের নামে অনিয়ম ঠেকাতে বিতরণ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে দাবি জেলা প্রশাসকের।
ফেব্রুয়ারি মাসে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গা কালিমন্দিরের নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানের জন্য দুই মেট্রিক টন জিআরের চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই তালিকায় পশ্চিম শিবরাম হরিবাসর সার্বজনীন দুর্গামন্দিরসহ ২৫টি মন্দিরের নাম রয়েছে।
তালিকায় নাম থাকলেও মন্দির কর্তৃপক্ষ বরাদ্দকৃত চাল সম্পর্কে কিছুই জানেন না। মন্দিরগুলোর নামে উত্তোলিত চাল কোথায় গেছে তারও কোনো হদিস নেই। ওইসব প্রকল্পের সভাপতিদেরকেও তারা চেনেন না।
এর আগে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় একইভাবে হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাৎ করা হয়। এ নিয়ে সংবাদ প্রচারের পর প্রশাসন চাল ফেরত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি আজও।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও এসব প্রকল্পের অনিয়ম রোধে বিতরণ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ২৫টি মন্দির ও ২৫টি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে মোট ১শ’ মেট্রিক টন জিআরের চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


