বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বিয়ে বিচ্ছেদের কারণগুলো এড়িয়ে চলুন

Marriage_Separation_Newsworldbdইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় বিবাহবিচ্ছেদের মতো এত বড় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন অনেকেই। কিন্তু এর পেছনেও থাকে বড় কোনো কারণ নয়তো খামখেয়ালি। কারণ যাই হোক না কেন, ফলাফল তো একটাই। ‘ওয়ান্ডারস লিস্ট’ জানিয়েছে বিবাহবিচ্ছেদের সাত কারণ।

১. সন্তান হওয়ার পর দূরত্ব: অনেক সময় সন্তান জন্ম হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনেকটা দূরত্ব তৈরি হয়। তারা বুঝতেই পারে না যে তাদের মধ্যকার সম্পর্কটা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেকটা দূরত্ব তৈরি হওয়ার পর তাদের মধ্যে আর টান থাকে না। আর এ কারণেই অনেক সময় বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

২. অতিরিক্ত ঝগড়া: কথাকাটাকাটি অথবা ঝগড়া সব সম্পর্কেই থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো না। মনে রাখবেন, ঝগড়ার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি সব সময়ই সম্পর্কের ইতি টানে। আর এই ঝামেলা যদি সব সময় লেগেই থাকে, তাহলে সম্পর্কে সুখ তো থাকবেই না বরং বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাবে।

৩. অতিরিক্ত প্রত্যাশা: অতিরিক্ত বা অবাস্তব প্রত্যাশা সম্পর্ককে নষ্ট করে। বিয়ের পর একজনের জীবনের সঙ্গে আরেকজনের জীবন জড়িয়ে পড়ে। তখন দুজনেরই দুজনের প্রতি প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত প্রত্যাশা কখনোই সুখকর হয় না। বরং এটি ধীরে ধীরে সম্পর্কের ভিত্তিকে নষ্ট করে। যার ফলাফল বিবাহবিচ্ছেদ।

৪. শারীরিক নির্যাতন: অনেক সময় শারীরিক নির্যাতনের কারণে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পারিবারিক এই নির্যাতনের শিকার নারীরাই বেশি হন। একই নির্যাতন চলতে থাকলে একটা সময় নারীরা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। তবে এমন ঘটনা ঘটলে বিয়ের সম্পর্ক না টিকিয়ে রাখাই শ্রেয়।

৫. কম বয়সে বিয়ে: অনেক সময় মেয়েদের অনেক কম বয়সে বিয়ে হয়। এ কারণে বিয়ের পর অনেক বিষয়েই তাদের বৈবাহিক জীবনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। সব সময় কাছাকাছি বয়সের মানুষকে বিয়ে করা ভালো। এতে দুজনের বোঝাপড়া ভালো হয়। না হলে বয়সের ব্যবধানের কারণে একটা সময় বিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৬. দুজনের মধ্যকার ব্যবধান: বিয়ের পর দুজনের মধ্যকার বয়সের ব্যবধান, আয়ের ব্যবধান, জীবনযাপনের ব্যবধানের কারণে একটা সময়ে নিজেদের প্রতি আর শ্রদ্ধাবোধ কমে যায়। তাই বিয়ে সব সময় সমানে সমানে হওয়া উচিত। তাহলে বৈবাহিক জীবনে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে।

৭. প্রতারণার কারণে: বিয়ের পর যদি একজন আরেকজনের সঙ্গে প্রতারণা করেন এবং সেই প্রতারণা যদি ক্রমশ বেড়েই চলে, তাহলে সেই সম্পর্ক বিচ্ছেদেই শেষ হয়। বেশির ভাগ বিয়ে ভাঙার প্রধান কারণ এটি। বিয়ের পর অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে বিয়ের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা বেশ কঠিন। সেটা নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন