৫৩ বছর পর কিউবায় খুলছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। এর জন্য এরই মধ্যে দেশটির রাজধানী হাভানায় গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। শুক্রবার হাভানায় বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায় এর উদ্বোধন হয়। হাজার হাজার কিউবান এসময় সেকানে উপস্থিত হয়ে উল্লাস দেখান।
এর আগে চলতি বছর জুলাই মাসে ওয়াশিংটনে কিউবা দূতাবাস খোলে।
কিউবার সাবেক স্বৈরশাসক ফুলজেনসিও বাতিস্তার শাসনামলে ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে বিদ্রোহীরা। এরই ধারায় ৫৩ বছর আগে ১৯৬২ সালে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কিউবার সম্পর্কে ছেদ ঘটে ১৯৬১ সালে। গত ডিসেম্বরে সেই ছেদ মুছে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন দুই দেশের প্রেসিডেন্ট। এরপর গত মাসে কিউবার রাজধানী হাভানায় ঐতিহাসিক সংলাপে বসেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সংলাপ শেষে হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করেন তাঁরা। তাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান রবার্টা জ্যাকবসন বলেন, ‘আগের সংলাপে আমরা মতবিরোধগুলো চিহ্নিত করেছিলাম। সেগুলো সমাধানের ব্যাপারে এবার বেশ অগ্রগতি হয়েছে। তবে এখনো কয়েকটি ব্যাপারে মতবিরোধ আছে।’ জ্যাকবসনের মতো কিউবার প্রতিনিধিদলের প্রধান হোসেফিনা ভিদালও মন্তব্য করেন, ‘আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে।’
দূতাবাস চালু হলে কী কী অধিকার দিতে হবে, সে বিষয়ে আগেই অবশ্য আভাস দিয়ে রেখেছে ওয়াশিংটন। বলেছে, তাদের দূতাবাস ও কূটনীতিকদের ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। যাতে করে তারা সমাজতান্ত্রিক কিউবার ভিন্ন মতের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারে।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


