বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

১৫ আগস্ট রাতে জন্মদিনের কেক কাটলেন না খালেদা

cakeগত বেশ কয়েক বছর ১৫ অাগস্টের প্রথম প্রহরে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করলেও এবার তা করেননি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। যদিও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের পক্ষ থেকে ৭০ পাউন্ডের একটি কেক নিয়ে রাখা হয়েছিল রাতে কাটা হবে বলে। এছাড়া ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও একটি কেক কেনা হয়েছে।

জাতীয় শোক দিবসের প্রথম প্রহরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় ও নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় খালেদা জিয়ার জন্মদিনের কোনো অনুষ্ঠান হয়নি।

প্রতিবছর এই দিনের প্রথম প্রহর ১২টা ১মিনিটে দুটি কার্যালয়ে কেক কেটে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদযাপন করা হত। তবে এদিন দুই কার্যালয়েই নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি।

শুক্রবার রাতে গুলশানে নিজের কার্যালয়ে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন। নিজের বাসা ফিরোজায় আছেন তিনি।

মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা শুক্রবার বিকেলে নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কমকে বলেন, ‘আমরা ম্যাডামের ৭০তম জন্মদিন উদযাপনের জন্য কেক অর্ডার দিয়েছি।’ ৭০ পাউন্ড কেক কাটবেন বলেও জানান তিনি।

ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও খালেদার জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে ৭০ পাউন্ড কেকের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেক কেটে ‘প্রিয় নেত্রী’ এর জন্মদিন পালন করবে ছাত্রদল। এ বিষয়ে ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি বলেন, ‘আমাদের নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ৭০ পাউন্ড কেক অর্ডার দিয়েছি। শনিবার সকাল ৮টায় নয়াপল্টনে কেক কাটা হবে।’

রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালেদার ছোট দুই ভাইয়ের স্ত্রী নাসরিন সাঈদ ও কানিজ ফাতেমাসহ কয়েকজন আত্মীয় ওই বাসায় এসে তার সঙ্গে রাতের খাবার খান বলে নিরাপত্তা কর্মীরা জানিয়েছেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার এই দিনে জন্মদিন উদযাপন না করতে খালেদার প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে আওয়ামী লীগ। তারপরও গত দুই দশক ধরে ১৫ অগাস্টের প্রথম প্রহরে নেতা-কর্মীদের নিয়ে কেক কেটে নিজের জন্মদিন উদযাপন করে আসছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

২০১৪ সালের ১৫ অগাস্ট খালেদা জিয়া জন্মদিন পালন করেন ৬৯ পাউন্ডের কেক কেটে।

বিএনপি নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বয়স হচ্ছে ৭০ বছর। যদিও তার একাধিক জন্মদিন ও জন্মসালের হদিস পাওয়া যায়।

গত বেশ কয়েক বছর ১৫ অাগস্টের প্রথম প্রহরে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করলেও এবার তা করেননি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। যদিও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের পক্ষ থেকে ৭০ পাউন্ডের একটি কেক নিয়ে রাখা হয়েছিল রাতে কাটা হবে বলে। এছাড়া ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও একটি কেক কেনা হয়েছে।

জাতীয় শোক দিবসের প্রথম প্রহরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় ও নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় খালেদা জিয়ার জন্মদিনের কোনো অনুষ্ঠান হয়নি।

প্রতিবছর এই দিনের প্রথম প্রহর ১২টা ১মিনিটে দুটি কার্যালয়ে কেক কেটে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদযাপন করা হত। তবে এদিন দুই কার্যালয়েই নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি।

শুক্রবার রাতে গুলশানে নিজের কার্যালয়ে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন। নিজের বাসা ফিরোজায় আছেন তিনি।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের পক্ষ থেকে ৭০ পাউন্ড কেক কাটা হবে। মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা শুক্রবার বিকেলে নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ম্যাডামের ৭০তম জন্মদিন উদযাপনের জন্য কেক অর্ডার দিয়েছি।’ ৭০ পাউন্ড কেক কাটবেন বলেও জানান তিনি।

ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও খালেদার জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে ৭০ পাউন্ড কেকের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেক কেটে ‘প্রিয় নেত্রী’ এর জন্মদিন পালন করবে ছাত্রদল। এ বিষয়ে ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি বলেন, ‘আমাদের নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ৭০ পাউন্ড কেক অর্ডার দিয়েছি। শনিবার সকাল ৮টায় নয়াপল্টনে কেক কাটা হবে।’

রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালেদার ছোট দুই ভাইয়ের স্ত্রী নাসরিন সাঈদ ও কানিজ ফাতেমাসহ কয়েকজন আত্মীয় ওই বাসায় এসে তার সঙ্গে রাতের খাবার খান বলে নিরাপত্তা কর্মীরা জানিয়েছেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার এই দিনে জন্মদিন উদযাপন না করতে খালেদার প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে আওয়ামী লীগ। তারপরও গত দুই দশক ধরে ১৫ অগাস্টের প্রথম প্রহরে নেতা-কর্মীদের নিয়ে কেক কেটে নিজের জন্মদিন উদযাপন করে আসছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

২০১৪ সালের ১৫ অগাস্ট খালেদা জিয়া জন্মদিন পালন করেন ৬৯ পাউন্ডের কেক কেটে।

বিএনপি নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বয়স হচ্ছে ৭০ বছর। যদিও তার একাধিক জন্মদিন ও জন্মসালের হদিস পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন