স্বাধীনতার চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় পর মহাশূন্যে কৃত্রিম স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। এই মিশন বাস্তবায়নকারী বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন-বিটিআরসি বলছে, তরঙ্গ বরাদ্দ করে এই স্যাটেলাইট লাখ লাখ টাকা আয় করবে। আর দুর্যোগের সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখবে। সৃষ্টি হবে শতাধিক লোকের কর্মসংস্থান।
টেলিযোগাযোগ কিংবা ব্রডকাস্টিং-এইসব ক্ষেত্রে কমিউনিকেশন স্যাটেলাইটের ভূমিকা অপরিসীম। জন্মলগ্ন থেকে বাংলাদেশ বিদেশী স্যাটেলাইট ভাড়া করে এই সেবা পেয়ে আসছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এজন্য প্রতি বছর ব্যয় করছে ১৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার বা ১০০ কোটিরও বেশি টাকা। নিজস্ব স্যাটেলাইটের কার্যক্রম শুরু হলে, দেশের টাকা দেশেই থাকবে।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের ঠিকানা হবে ১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ কক্ষপথে। এতে থাকবে বানিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য ৪০টি ট্রান্সপণ্ডার। এর ফলে পুরো দক্ষিণ এশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং তুর্কমেনিস্তান, কিরগিজস্তান-কাজাখস্তানের অংশবিশেষ কভারেজের আওতায় আসবে।
মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানো এখন বানিজ্যিকভাবে বেশ সম্ভাবনাময়। দেশের চাহিদা মিটিয়ে, ট্রান্সপণ্ডার বিক্রি করে অর্থ আয়ের দিকেও চোখ আছে বাংলাদেশের। আর এই স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্য রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া ও গাজীপুর বিটিআরসি স্টাফ কলেজ মাঠে দুইটি গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মান করা হবে। উৎক্ষেপণের পর একটি কোম্পানী গঠন করে পরিচালনা করা হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়াল্র্ডবিডি ডটকম


