বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে নিতে ভয় দেখাতে গিয়েই বাড্ডায় তিন খুন

baddaঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই ঘটেছে বাড্ডায় ট্রিপল মার্ডারের ঘটনা। পায়ে গুলি করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মাহবুবুর রহমান গামাকে ভয় দেখাতে সন্ত্রাসী কায়দায় তিন অস্ত্রধারীকে পাঠিয়েছিলো গুলশান থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফারুক মিলন। কিন্তু অসাবধানতায় এলোপাতাড়ি গুলিতে তিন খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে গ্রেফতার দুই ছাত্রলীগ নেতা।

বাড্ডা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ফারুক মিলন ও নূর মোহাম্মদ নামে দুজনকে গ্রেপ্তারের পর এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত নূর মোহাম্মদ ছাত্রলীগের কর্মী এবং ফারুক মিলন বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের নেতা।

বাড্ডা এলাকায় এক সময় ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতো বাউল সুমন নামে এক ব্যক্তি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বছর কয়েক আগে কারাবন্দি অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে বাউল সুমনের মৃত্যু হলে এই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ আসে মাহবুবুর রহমান গামার হাতে। এ নিয়ে অন্যদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় গামার। এরই ধারাবাহিকতায় ফারুক মিলনের পরিকল্পনায় গামাকে হত্যার ফন্দি আঁটে বাকিরা।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, হত্যা মিশনে অংশ নেয় আট জন। এদের মধ্যে ফারুক মিলন ও নূর মোহাম্মদকে বাড্ডা ও ভাটারা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় রোববার রাতে। বাকি আসামিদেরও শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে চলছে অভিযান।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরো বলেন, আসামিদের রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে হত্যাকারী হিসেবেই বিবেচনা করা হবে। এই হত্যার পেছনে ঝুট ব্যবসার পাশাপাশি পারিবারিক দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক লেনদেন কিংবা অন্য কোনো কারণ ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন তারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

আরও পড়ুন