ঢাকার কারওয়ানবাজার সংলগ্ন পান্থপথ থেকে সাংবাদিক শওকত মাহমুদকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সাড়ে ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়েছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় গাড়ি পোড়ানোর তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একটি অংশের সভাপতি।
শওকত মাহমুদকে আটকের ব্যাপারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-কমিশনার মুনতাছিরুল ইসলাম বলেন, যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা গাড়ি পোড়ানো মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি শওকত মাহমুদ। এ কারণে তাকে আটক করা হয়েছে।
ডিএমপির উপ- কমিশনার মাশরুখ খালেদ বলেন, শওকত মাহমুদকে শিগগিরই আদালতে নেওয়া হবে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল মোমিন প্রথম আলোকে বলেন, আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সামারাই কনভেনশনে ঢোকার সময় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয়। পরে সাদা পোশাকের পুলিশ ছাই রঙের একটি গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-চ-৫৩৪২০৬) তুলে তাঁকে নিয়ে যায়। শওকত মাহমুদকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তাঁর ধারণা। ওই গাড়ির পেছনে শওকত মাহমুদের ঘনিষ্ঠজনদের একটি গাড়িও ছিল।
জানা গেছে, পান্থপথের সামুরা কনভেনশন সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজিত (বিএনপি সমর্থিত) প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। সংবাদ সম্মেলনে তিন সিটির অনিয়ম তুলে ধরার কথা ছিল। সেখানে শওকত মাহমুদ উপস্থিত হলে তাকে আটক করা হয়।
এদিকে, শওকত মাহমুদ রাজধানীর পান্থপথে সামারাই কনভেনশনে আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের যে সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন, পুলিশের বাধায় তা পণ্ড হয়ে গেছে। আটকের পর সামুরা কনভেনশন সেন্টারটি পুলিশ তালা লাগিয়ে দিয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের আহবায়ক অধ্যাপক এমাজ উদ্দিন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান প্রমুখ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
শওকত মাহমুদকে আটকের পর তারা সেখান থেকে চলে যান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


