বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

আ. লীগ নেতার পারিবারিক কবরস্থানের নামে বরাদ্দ, তাও আত্মসাৎ

Kabarsthanপারিবারিক কবরস্থানকে এলাকাবাসীর দেখিয়ে উন্নয়নের জন্য সরকারি বরাদ্দ এনেছিলেন লোহাগাড়া উপজেলার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুক।  কিন্তু কবরস্থানের কোনও উন্নয়ন না করে সরকারি বরাদ্দের এক লাখ ৭০ হাজার ৬৭২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন ওই আওয়ামী লীগ নেতা।

কবরস্থানের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানায় ওমর ফারুকসহ চারজনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ওমর ফারুক লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য।

বাকি তিন আসামি হলেন, এলজিইডির লোহাগাড়া উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী আবু তৈয়ব, পদুয়া ইউপির সাবেক সদস্য আয়ুব আলী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য হিসেবে প্রকল্পের সভাপতি নুরুল কবির।

দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-সহকারি পরিচালক খন্দকার আখেরুজ্জামান বাদি হয়ে বুধবার (১৯ আগস্ট) মামলা তিনটি দায়ের করেছেন।  মামলা নম্বর ৩০(৮)১৫, ৩১(৮)১৫ ইং এবং ৩২(৮)১৫ ইং নম্বর।

খন্দকার আখেরুজ্জামান বলেন, চেয়ারম্যানের পৈতৃক কবরস্থানের জন্য সরকারি বরাদ্দ এসেছিল।  সেই বরাদ্দও সঠিকভাবে ব্যবহার না করে ওমর ফারুক সাহেব আত্মসাৎ করেছেন।  কবরস্থানের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর।  এখানে কোন ধরনের দয়া দেখানোর সুযোগ নেই।  তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১০-২০১১ অর্থবছরে পদুয়া ভিটি কবরস্থানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য ২২ হাজার ২৯৭ টাকা ও অভ্যন্তরীণ চলাচলের পথ তৈরির জন্য ৯৮ হাজার ৩৭৫ টাকা এবং পদুয়া মালিপাড়া কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জন্য ৫০ হাজার টাকার তিনটি বরাদ্দ আসে।

কিন্তু চেয়ারম্যান ওমর ফারুক তার সহযোগীদের নিয়ে সেই টাকা আত্মসাৎ করেন বলে দুদক তদন্তে তথ্য পেয়েছে।

আরও পড়ুন