নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করেছেন র্যাবের হাতে আটক ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানাসহ তিন আইনজীবী। রিমান্ডের প্রথম দিনে র্যাব জানতে পেরেছে, কোন এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে এই বিপুল অর্থ পেয়েছেন শাকিলা। এখন সেই বড় ভাইয়ের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। আর নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন,ফায়দা হাসিলের জন্য কোন রাজনৈতিক দল এই জঙ্গী সংগঠনকে অর্থায়ন করেছে কি না- সেটাও খুঁজে দেখা দরকার।
সুপ্রীমকোট আইনজীবি সমিতির ৪র্থ তলার ৪১১ নম্বর কক্ষে বসতেন শাকিলা ফারজানা। জাতীয়তাবাদি আইনজীবী ফোরামের পদধারী নেতা হলেও মামলার দিন ছাড়া হাইকোর্ট প্রাঙ্গনে দেখা যেতো না তাকে। জঙ্গী সংগঠনকে অর্থায়নের অভিযোগে শাকিলাসহ আরো দুই আইনজীবী গ্রেফতারের ঘটনায় হতবাক তাদের সহকর্মীরা।
র্যাবের তদন্তে ডাচ বাংলার ব্যাংকের পাঁচটি একাউন্টের মাধ্যমে মোট এক কোটি ৩৮ লাখ টাকা লেনদেনের প্রমাণ মেলে। এর মধ্যে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, হাসানুজ্জামান লিটন ও মাহফুজ চৌধুরী বাপনের কাছ থেকে শহীদ হামজা ব্রিগেডের ফান্ডে গেছে এক কোটি আট লাখ টাকা। জানা গেছে, শাকিলার টাকার উৎস তার এক বড়ো ভা্ই। একই সঙ্গে হামজা ব্রিগেডের আরেক অর্থদাতা দুবাইর নাগরিক আল্লামা লিবাদির ব্যাপারে তথ্য জড়ো করছে র্যাব।
চারদিনের রিমান্ডের প্রথম দিনে টাকার উৎস এবং অর্থায়নে আরো কারা জড়িত এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। জঙ্গীবাদে আইন পেশাধারীদের জড়িত হওয়া এবং অর্থায়নের বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদেরও। তারা বলছেন, দেশে প্রথমবার আলোচনায় আসা এ ঘটনা প্রমান করাও তদন্তকারী বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে জঙ্গীবাদ দমনে অর্থায়ন বন্ধ করার এ ঘটনা উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


