বর্ষা শেষে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। এরইমধ্যে দুই জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগামী দু’এক সপ্তাহে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। এবার অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতকেই এ জন্য দায়ী করছেন তারা। তবে পরিন্থিতি সহনীয় রাখতে হাসপাতালগুলোতে কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে আরো সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে পরিস্থিতি সহনীয় রাখতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বর্ষা মৌসুম পুরোপুরি শেষ হতে না হতেই রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে ২০১১ সালে দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩৬২ জন মৃতের সংখ্যা ৬ জন। ২০১২ সালে ছিল ৬৭১ জন মৃতের সংখ্যা ১ জন।পরের বছরই এই সংখ্যা আশঙ্কাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে দাড়ায় ১৭৪৯ জন যদিও মৃতের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। গত বছর এই সংখ্যা ৩৭৫ থাকলেও চলতি বছর এ পর্যন্ত তা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে পরিসংখ্যান। গত চৌদ্দ বছরের মাস ভিত্ততে ডেঙ্গুর পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায় জুন-জুলাইতে শুরু হলেও আগস্টই ডেঙ্গু বিস্তারের আসল সময় ।
এবারের মৌসুম বর্ষার ধরন এডিসের জন্য ছিল অণুকুলে। বর্ষা শেষ হলেও এখনো থেমে থেমে বৃষ্টিও এডিস বিস্তারে সহায়ক। আর তাই আগস্টের শেষে থেকে সেপ্টেম্বরের শুরুর সময়টাতে ডেঙ্গু প্রকোপ আকার ধারণ করতে পারে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে। বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা আর তাপমাত্রা এ তিনের তারতম্যে ডেঙ্গুর বিস্তার বাড়ে। এর ফলে এবার বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে।’
সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলায় নিজেদেরে পূর্ব প্রস্তুতি এরই মধ্যে সেরে ফেলেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সাধারণ মানুষকে দায়িত্ববান হলে ডেঙ্গু আর ভয়াবহ রূপ নিতে পারবেনা বলে মনে করের তারা। পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত ও মশার নমুনা সংগ্রহ করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আরো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে গবেষণা করা হচ্ছে বলেও জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


