বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতের নথি তলব ও দুদকের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদন তলব চেয়ে খালেদার জিয়ার করা দুটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রবিবার ২৩ আগস্ট এ আদেশ দেন।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার বিচারিক আদালতের নথি এবং এ মামলা থেকে খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিয়ে ২০০৮ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের নথি তলব চেয়ে গত ১৮ আগস্ট আবেদন দুটি করা হয়। ওই দিনই আবেদন দুটির ওপর শুনানি করেন আইনজীবী রাগীব রউফ চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন জাকির হোসেন ভূঁইয়া। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।
শুনানিতে রাগীব রউফ বলেন, ২০০৮ সালের জুনে এ মামলা থেকে খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিয়ে দুদকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন তদন্ত কর্মকর্তা। কিন্তু সেটি আদালতে না দিয়ে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয় দুদক। একই বিষয় নিয়ে পুনঃতদন্ত করার বিধান দুদক আইনে নেই। একমাত্র আদালত চাইলে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। কিন্তু দুদক নতুন করে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে এবং তারপর তদন্ত করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। এটা আইনসম্মত নয়।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় দুদক এ মামলাটি করে। পরে এ মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। শুনানির পর ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল ও মামলার কার্যক্রম স্থগিতাদেশ দেন। মামলাটি কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়। হাইকোর্টে এখন ওই রুলের শুনানি চলছে।


