বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

পটেলদের বিক্ষোভে উত্তাল মোদির রাজ্য গুজরাট

bus-burned-655x360সরকারি চাকরি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সংরক্ষণের দাবি নিয়ে মঙ্গলবার রাজ্যের পটেল সম্প্রদায়ের কয়েক লক্ষ মানুষের জমায়েত হল খাস আমদাবাদেই। যার জেরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে বিক্ষোভকারীদের। ভাঙচুর হয়েছে সরকারি সম্পত্তি,বাস। রাতে আন্দোলনের নেতা হার্দিক পটেলকে অনশন মঞ্চ থেকে তুলে নিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এর পরেই উত্তেজনা চরমে ওঠে। গুজরাটের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রজনী পটেলের মেহসনার বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত হার্দিককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমদাবাদের কয়েকটি এলাকায় কার্ফু জারি হয়েছে। বন্ধ রয়েছে  রাজ্যের সব স্কুল। জারি করা হযেছে ১৪৪ ধারা।

এদিকে ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন পটেল। দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নিজেদের ‘অন্যান্য অনগ্রসর জাতি’-র অন্তর্ভূক্ত করার দাবি নিয়ে বেশ কিছু দিন থেকেই আন্দোলনে নেমেছে রাজ্যের পটেল সম্প্রদায়। গুজরাটের প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ এই সম্প্রদায়ভুক্ত। দীর্ঘদিন থেকেই বিজেপিরই কাছাকাছি ছিল তারা। কিন্তু সংরক্ষণের দাবি রাজ্যের বিজেপি সরকারের সঙ্গে ক্রমশই তাদের দূরত্বের সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার পটেলদের কয়েক লক্ষ সমর্থকের জমায়েত হয় জিএমডিসি ময়দানে। সংরক্ষণ আন্দোলনের নেতা হিসেবে সামনে চলে এসেছে মাত্র ২২ বছর বয়সি হার্দিক পটেলের নাম।  পটেলদের ‘মহাসম্মেলন’-কে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই আজ পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে।

আন্দোলনের নেতা হার্দিক মন্তব্য করেন, বিজেপি যদি অবহেলা করে, তা হলে ২০১৭-র বিধানসভা ভোটে গুজরাতে পদ্মফুল ফুটবে না। এর পরেই অনশনে বসেন তিনি। ঘোষণা করেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেনকে ধর্নাস্থলে এসে দাবিপত্র নিয়ে যেতে হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

আরও পড়ুন