বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি বেআইনী: ওয়ার্কার্স পার্টি

Workers-Party-Logo-Color-11বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কোন কারণ নেই। আন্তার্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি তুঘলকি কারবার। বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এনাজি রেগুলেটরি কমিশণ গত ফেব্রুয়ারি মাসে যে গণশুনানী করে সেখানে তারা মূল্য বৃদ্ধির কোন যৌক্তিকতা দেখাতে পারে নাই। কিন্তু গণশুনানীর কোন ব্যাখ্যায় না গিয়ে হঠাৎ এই মূল্য বৃদ্ধি সাধারণ ভোক্তা ও জনগণের উপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপানোর কৌশল মাত্র। এই মূল্য বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ব্যয় চাপাবে যার ভার নিতে হবে সাধারণ মানুষকে। আমরা এই অন্যায্য মূল্য বৃদ্ধি মেনে নিতে পারিনা। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চায় জ্বালানী খাতে অদক্ষ, দুর্নীতিবাজ, জনস্বার্থ পরিপন্থি কিছু মানুষের মস্তিষ্ক প্রসুত ভাবনা থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে জনগণের নির্বাচিত প্রতিধি জ্বালানী মন্ত্রী কর্তৃক আবারও মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা জনগণের বিরুদ্ধে হুমকির শামিল। এতে জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এর দারায় সরকারকে বহন করতে হবে। আমরা বলতে চাই জ্বালানী তেলের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সঙ্গতি রেখে জ্বালানী তেলে মূল্য পু:ণনির্ধারণষ করে কমাতে হবে এবং তার সাথে সঙ্গতি রেখেই বিদ্যুতের দাম কমাতে হবে।

২৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ সমাবেশে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ একথা বলেন। ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি কমরেড আবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য কামরূল আহসান। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির বিকল্প সদস্য সাব্বাহ আলী খান কলিন্স, ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, মুর্শিদা আখতার নাহার, যুব মৈত্রীর সভাপতি মোস্তফা আলমগীর রতন, খেতমজুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রাজু, ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পার্টি অফিসে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুন