কুড়িগ্রামে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশী কিশোরি ফেলানী নিহতের ঘটনায় তার বাবা নুরুল ইসলামকে দায়ী করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ফেলানী হত্যার ঘটনায় ভারতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া এক চিঠির জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করে। এতে বলা হয়, ওই কিশোরীকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিতে অবৈধ উপায়ে ভারত থেকে বেরুনোর চেষ্টা করেন তার বাবা।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর-দিনহাটা সীমান্তের খিতাবেরকুঠি এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর সদস্যরা ফেলানী খাতুনকে গুলি করে হত্যা করে। পরে তার লাশ পাঁচ ঘণ্টা কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। এরপর দেশে-বিদেশে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে ভারতীয় আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার শুরু হয়। কিন্তু সেখানে অবিশ্বাস্যভাবে অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ নির্দোষ বলে রায় দেন। এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফেলানীর স্বজন, প্রতিবেশী, মানবাধিকার সংগঠন ও বিশিষ্টজনরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক, নয়াদিল্লি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


