তামাক ব্যবহার ঠেকাতে ২০১৬ সালের মার্চ থেকে তামাক অথবা সিগারেট কোম্পানিগুলোকে তাদের পণ্যের প্যাকেটে গ্রাফিক্যাল সতর্কতা প্রদর্শন করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
তামাক ব্যবহার থেকে তামাক ভোক্তাদের নিরুৎসাহিত করতে গোটা বিশ্বে সাধারণত সিগারেট বক্সে গ্রাফিক্যাল সতর্কতা প্রদর্শন হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ক্ষেত্রে সরকারগুলোকে সতর্কতা সংকেতের খসড়াসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।
ডব্লিউএইচও বাংলাদেশের এনসিডি প্রিভেনশন অ্যান্ড হেলথ প্রমোশন টেকনিক্যাল অফিসার টোবাকো কন্ট্রোল ড. সৈয়দ মাহফুজুল হক বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছি। ২০১৬ সালের মার্চ থেকে সিগারেটের প্যাকেট ওই গ্রাফিক সতর্কতা থাকবে।
তামাকবিরোধী প্রচারকর্মী ড. সৈয়দ মাহফুজুল হক বলেন- ডায়াবেটিক, ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং ক্রনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজের (সিওপিডি) মতো অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) বাংলাদেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পেছনে প্রধান কারণ তামাক গ্রহণ।
তিনি বলেন- যদি আপনি তামাক নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, আপনি এসব রোগও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এজন্য জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে তামাক নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি।
তামাকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে লড়াইয়ের কথা তুলে ধরে ড. মাহফুজুল হক বলেন, ডব্লিউএইচও ২০০৩ সালে ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অব টোবাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) গঠন করে এবং বাংলাদেশ এটি সাক্ষর ও অনুমোদন দিয়েছে। তামাক চাষের কারণে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা এবং আমাদের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তামাক শ্রমিকরাও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ জন্য জনস্বার্থে তামাক নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
অসংক্রামক ব্যাধির জন্য বিশ্বব্যাপী তামাক জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ডায়াবেটিকের ও অন্যতম কারণ।


