উজানের ঢলের চাপে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর ও ইলিশা গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন বেড়িবাঁধ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার রাস্তার পাশে। অবশ্য ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংরক্ষণ ও বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
উজানের পানির চাপে গত ১৫ দিনে মেঘনার তীব্র ভাঙনে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর ও ইলিশা গ্রামের ৮শ’ ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন বেড়িবাঁধ ও রাস্তার পাশে। গত পূর্ণিমার জোয়ারে মেঘনা পাড়ের প্রায় ২ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে ২টি গ্রাম প্লাবিত হয়।
এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ। ভরা বর্ষায় হঠাৎ করেই ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। জোয়ারের পানি যেন নতুন কোন এলাকায় ঢুকতে না পারে সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংরক্ষণ ও বিকল্প রিংবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানালেন ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম।
সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এসে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ৭শ’ পরিবারকে নগদ ৩৫ লাখ টাকা সাহায্য দেন। পাশাপাশি পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন। তবে নির্মাণাধীন রিংবাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় হুমকির মুখে রয়েছে প্রাচীন জংশন বাজার, ইলিশা ইসলামিয়া কলেজ, গাজীপুর মাদরাসা, গাজীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ দুই ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


