লন্ডনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য লেবার পার্টির প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক খান। সাবেক অলিম্পিকস মন্ত্রী টেসা জাওয়েলসহ পাঁচ প্রতিদ্বন্দ্বীকে ভোটে হারিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের মনোনয়ন পেলেন তিনি।
বাসচালকের ছেলে সাদিক খান বর্তমানে লেবার পার্টি থেকে টুটিংয়ের এমপি। বর্তমান কনজারভেটিভ পার্টির মেয়র বরিস জনসনের জায়গায় বসতে ২০১৬ সালের মে মাসে ভোটে লড়বেন তিনি।
সাবেক শ্যাডো বিচারমন্ত্রী সাদিক খান দলীয় মেয়র প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার পর বলেন, “আজ লন্ডনের এতো অধিবাসী আমার উপর আস্থা রাখায় আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আমরা একসঙ্গে লন্ডনকে পরিবর্তন করতে পারি।”
এবার প্রার্থী হচ্ছেন না বরিস জনসন; এ মাসের শেষদিকেই কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী ঘোষণার কথা রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থিতার দৌঁড়ে যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে জাক গোল্ডস্মিথ ও সৈয়দ কামাল সবচেয়ে এগিয়ে।
সিটি হলের কর্তৃত্বের জন্য লড়বেন সাদিক খান। রাজধানীতে গত আট বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা লেবার পার্টিকে আবার ক্ষমতায় আনতে লড়বেন তিনি।
শুক্রবার লন্ডনের রয়েল ফেস্টিভ্যাল হলে লেবার পার্টির প্রার্থী বাছাইয়ের পঞ্চম দফা ভোটে প্রায় ৫৯ শতাংশের সমর্থন পান সাদিক খান।
প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে সাবেক মন্ত্রী টেসা জাওয়েল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
লন্ডনের বিভিন্ন সমস্যা যেমন যোগাযোগ, হাউজিং, ড্রাগ, অপরাধ নিরসনে নিজের অগ্রাধিকারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে সাদিক খান বলেন, একজন বাস ড্রাইভারের ছেলে হিসাবে আমি লন্ডনকে খুব কাছ থেকে দেখেছি এবং এজন্য আমি লন্ডন এবং লন্ডনবাসীর সমস্যা বুঝি এবং তা সমাধানে বদ্ধপরিকর। লেবার পার্টি থেকে নমিনেশন পাওয়ার ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী এ প্রশ্নের জবাবে সাদিক খান বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমি পার্টির সাথে জড়িত। ভাল কাজ করার কারণে বিগত সরকারে আমি মিনিস্ট্রিতে ছিলাম।


