বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে কাল হজ শুরু

image_100691_0_155598২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ২০ লাখের বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালনের উদ্দেশ্যে এদিন সন্ধ্যায় এহরাম বেঁধে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি দিয়ে পবিত্র মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন। এরমধ্য দিয়েই শুরু হবে হজে আকবরের মূল আনুষ্ঠানিকতা। লাখ লাখ মুসল্লির ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ (প্রভু হে বান্দা তোমার দরবারে হাজির) ধ্বনিতে প্রকম্পিত হবে পবিত্র মিনা।

এবছর পবিত্র জুমার দিনে মূল হজ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় হাজীরা পেতে যাচ্ছেন হজে আকবর এর মর্যাদা। জুমা এবং হজ একই দিনে অনুষ্ঠিত হলে ওই বছরের হজকে হজে আকবর বলা হয়।

হজের অংশ হিসেবে ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল পর্যন্ত তারা অবস্থান করবেন মিনায়। সেখানে তারা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় জিকির-আজকার ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে সময় কাটাবেন। জামাতের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন।

বুধবার ভোরে আরাফাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তারা। সেখানে হজের খুতবা শুনবেন এবং এক আজানে জোহর ও আসরের (জুহরাইন) নামাজ আদায় করবেন।

সন্ধ্যায় মুজদালিফার উদ্দেশ্যে আরাফাতের ময়দান ত্যাগ করবেন। মুজদালিফায় পৌঁছে আবারো এক আজানে আদায় করবেন মাগরিব ও এশার নামাজ। পরে মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন।

সেখান থেকে তারা মিনার জামারায় (প্রতীকী শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করবেন। সকালে ফজরের নামাজ শেষে আবার ফিরে আসবেন মিনায়।

পরদিন সকালে অর্থাৎ ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জামারাতে পাথর নিক্ষেপ ও পশু কোরবানি করে পুরুষরা মাথা মোড়ানোর মধ্য দিয়ে ইহরাম ত্যাগের মাধ্যমে হজের মূল কার্যক্রম শেষ করবেন।

এরপর পবিত্র কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ করে হজের পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ বছর বিশ লাখের বেশি মুসলমান হজ পালন করছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি রয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৬৫৭ জন। মক্কা সম্প্রসারণ কাজের জন্য এ বছর হজযাত্রীর সংখ্যা সীমিত করেছে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়। এ বছর আনুপাতিক হারে বহির্বিশ্বে মোট হজযাত্রীর ২০ শতাংশ এবং সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ ৫০ শতাংশ কম হজযাত্রীর অনুমোদন দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মক্কার এ সম্প্রসারণ কাজ শেষ হতে সময় লাগবে আরও তিন বছর।

আরও পড়ুন