টসে জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভয়াবহ। ১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে প্রথম থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েছিল দল। শূন্য রানে ফেরেন সৌম্য সরকার আর রনি তালুকদার। অধিনায়ক মুমিনুল হক, এনামুল হক কিংবা নাসির হোসেনরা সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে মধ্যাহ্ন বিরতির আগে একাই লড়েছিলেন লিটন কুমার দাস। ১১টি চারের মারে মাত্র ৫০ বলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫০ রান। উইকেটের অপরপ্রান্তে সতীর্থদের যাওয়া-আসার মিছিল দেখেই বোধ হয় একটু তাড়াহুড়ো করেছিলেন তিনি।
লিটন দাসের ৫০ রানের ইনিংসটি ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে মুখ রক্ষা করেছিল বাংলাদেশ ‘এ’র। কর্ণাটকের বিপক্ষে তিন দিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সংগ্রহকে একটা মোটামুটি চেহারা দিয়েছে শুভাগত হোমের ব্যাট। তাঁর ৫৫ রানের সঙ্গে সাকলাইন সজীবের ১৫ রানের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল থেমেছে ১৫৮ রানে।
শুভাগত হোমের লড়াইটাও ছিল স্রোতের বিপরীতেই। ৬৫ বলে তাঁর ৫৫ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ১টি ছয়ের মার। নবম উইকেট জুটিতে সাকলাইন সজীবের সঙ্গে গড়ে ওঠার তাঁর ৩৯ রানের জুটিটিই ছিল আজ বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ব্যাটিংয়ের সেরা সময়। ১৫ রান করে শুভাগত হোমকে দারুণ সঙ্গ দেওয়ার জন্য বড়সড় একটা ধন্যবাদ পেতেই পারেন সাকলাইন সজীব। কর্ণাটকের পক্ষে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ৪৯ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ১৫৮ রানের জবাব দিতে গিয়ে শুরুতেই অবশ্য ২ উইকেট হারিয়েছে কর্ণাটক। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চা বিরতির আগে তাদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৫৮। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে কর্ণাটকের দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন শুভাগত হোম ও সাকলাইন সজীব। সাজঘরে ফিরেছেন রবি কুমার সম্রাট ও মায়াঙ্ক আগারওয়াল।
সূত্র: ক্রিকইনফো।


