ঈদের আগের দিন বাড়ি ফেরার জন্য সদরঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালেই সদরঘাটে ভিড় করেন দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা।
মাইকে ঘোষণায় কোন পন্টুনে কোন লঞ্চ আছে তা বলে যায় নৌপুলিশ। লঞ্চের অবস্থান লেখা ব্যানারও টাঙানো হয়।
কিন্তু মানুষের গাদাগাদিতে পন্টুনের একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়া অনেকটা দুরূহ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরির্দশক (টিআই) মো. হেদায়েত উল্লাহ সরকার বলেন, “গতকাল ১২০টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। আজ আরও বেশি লঞ্চ ছেড়ে যাবে।”
ঈদ করতে ভোলায় গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে সদরঘাটে আসেন ফয়সাল নামের এক কাপড় ব্যবসায়ী। বাড়ি যাবেন বলে বুধবার দোকান খোলেননি বলে জানান তিনি। “কিন্তু এতো চাপ যে পন্টুনে যেতে পারছি না,” সদরঘাটের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে বলেন তিনি।
এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আসার পর পুলিশ গাড়ি আটকে দেওয়ায় ভারি ব্যাগ ও দুই বাচ্চা নিয়ে তাদের প্রচণ্ড কষ্ট করতে হচ্ছে সদরঘাটে পৌঁছাতে।


