বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

হজে পদপিষ্ট হয়ে নিহত ৭৬৯, আহত ৯৩৪

Bodies_Minaমিনায় হজের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে পদদলনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৬৯ জন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ।

দুই দিন আগের ওই ঘটনায় মোট ৯৩৪ জন আহত হয়েছেন বলে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার মিনা থেকে জামারায় ‘শয়তানের স্তম্ভে’ পাথর ছুড়তে যাওয়ার পথে পদদলনের ওই ঘটনা ঘটে।

ইসলামের রীতি অনুযায়ী, বুধবার আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়ে দিনভর ইবাদত করেন এবং হজের খুতবা শোনেন হজে আসা মুসলমানরা।
আরাফাত থেকে মিনায় ফেরার পথে মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ পড়ে তারা পাথর সংগ্রহ করেন, যা মিনার জামারায় শয়তানকে (প্রতীকী) উদ্দেশ্য করে ছোড়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে ফজরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা মিনায় ফিরে জোহরের নামাজ আদায় করেন এরপর শয়তানকে পাথর ছোড়ার পর্ব শেষ করে তারা কোরবানি দেন। কোরবানি শেষে ইহরাম ত্যাগ করে কাবা শরিফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় হজের আনুষ্ঠানিকতা।

বিবিসির খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে মিনা থেকে জামারার পথে ২০৪ ও ২২৩ নম্বর সড়কের সংযোগস্থলে পদদলনের এ ঘটনা ঘটে।

হাজিরা ‘শয়তানের স্তম্ভ’ ঘিরে থাকা পাঁচতলা কাঠামোর দিকে এগোনোর সময় ভিড়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে গেলে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। তাতে অনেকেই রাস্তায় পড়ে যান এবং পদদলনের সূচনা হয় বলে সিভিল ডিফেন্সের বিবৃতিতে জানানো হয়।

ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর ও সৌদি রেড ক্রিসেন্টের চার হাজার সদস্য উদ্ধারকাজ শুরু করেন। ২২০টি অ্যাম্বুলেন্সে করে আহতদের আশপাশের চারটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সৌদি আরবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদ আল-ফালিহ বলেছেন, হাজিরা দিকচিহ্ন সঠিকভাবে অনুসরণ না করায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আসা অ্যামেচার ভিডিওতে দেখা যায়, ইহরাম পরিহিত শত শত মানুষ রাস্তায় পড়ে আছেন। ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পানির বোতল, হুইল চেয়ার, ছেঁড়া কাপড়।

আরও পড়ুন