রাজধানীর বেশিরভাগ স্থান থেকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সিটি করপোরেশন। কিছু কিছু এলাকায় রাস্তায় জবাই করা পশুর রক্ত শুকিয়ে থাকায় বাতাসের দুর্গন্ধ রয়েছে।
শুক্রবার বাংলাদেশে ঈদ-উল আজহার দিনে গরু ও ছাগলসহ অন্যান্য পশু কোরবানি দেন মুসলিমরা।
শনিবার দিনের মধ্যেই দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭০ ভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধান বর্জ্য নিষ্কাশন কর্মকর্তা রাকিব উদ্দিন।
এই সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন স্থানে, সড়কে অলি-গলিতে ঈদের পরের দিন তেমন বর্জ্য চোখে না পড়লেও কোরবানির পশুর শুকিয়ে যাওয়া রক্ত দেখা যায়।
রাকিব উদ্দিন বলেন, “রোববার এসব স্থানে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পানি ও ব্লিচিং পাওয়ার ছিটানো হবে।”
অন্য দিকে উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য নিষ্কাশন কর্মকর্তা বিপন কুমার সাহা জানান, শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে থেকে সব বর্জ্য অপসারণ করে পানি ছিটিয়ে রক্ত পরিষ্কারের কাজ শেষ হয়েছে।
বিপন কুমার সাহা বলেন, শনিবার দুপুরের মধ্যেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হয়েছে। এদিন যেসব স্থানে কোরবানি দেওয়া হয়েছে সেখান থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে বর্জ্য তুলে আনা হয়েছে।
নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে এবং পরিবেশ দূষণ রোধে এবছর প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে রাজধানীর নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে তাতে তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। বেশির ভাগ মানুষই নিজেদের বরাবরের মতোই সুবিধামতো জায়গায় পশু জবাই দিয়েছেন।


