মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সাক্ষাৎ করবেন তার আইনজীবীরা। বিকেল ৩টায় মুজাহিদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনিরের নেতৃত্বে পাঁচজন আইনজীবী কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাবেন।
অন্য চারজন আইনজীবী হলেন- অ্যাডভোকেট মশিউল আলম, ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ও আসাদ উদ্দীন।
ক্ষুদে বার্তায় অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, রিভিউ আবেদন করার জন্য আইনি পরামর্শ করতেই মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করতে যাব। আশা করি, কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করে ফের সাক্ষাতের সুযোগ দেবেন।
৩ অক্টোবর (শনিবার) সকালে সাড়ে ১০টার দিকে অ্যাডভোকেট শিশির মনিরের নেতৃত্বে পাঁচজন আইনজীবী কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন। কারাগার থেকে বের হয়ে আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তার (মুজাহিদ) সঙ্গে দেখা করেছি। তার হাতে আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি দেওয়া হয়েছে। তিনি রিভিউ আবেদন করতে আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছেন। আশা করছি আদালত রিভিউ আবেদন গ্রহণ করে তাকে খালাস দেবেন।
এর দুদিন আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদকে মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয়। এরপর রিভিউ আবেদনের কথা জানতে চাইলে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে চান।
ওই দিন দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপিতে স্বাক্ষর করেন। এরপর তাদের মৃত্যুপরোয়ানা জারি করা হয়।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগেও মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল থাকে।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


