নয় লাখ টাকা বকেয়া বিলের জন্য গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় দুই বছর ধরে শিক্ষার্থী তোলা হচ্ছেনা সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, এটি কর্তৃপক্ষের অজুহাত। শিক্ষার্থী তোলা হলে ছাত্র সংগঠনগুলো আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে এমন ভয় থেকে কর্তৃপক্ষ ছাত্রাবাস খালি রাখছে।
এদিকে, ছাত্রাবাসটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মূল্যবান জিনিসপত্র ।
২০১২ সালের ৮ জুলাই ছাত্রলীগ ও শিবিরের সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় এমসি কলেজ ছাত্রাবাস। এরপর প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্রাবাসটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। আর ২০১৩ সালে ৯ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ উদ্বোধন করেন ছাত্রাবাসের। কিন্তু আজও ছাত্রাবাসে তোলা হয়নি শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মূলত সংঘর্ষ এড়াতেই ছাত্রদের তোলা হচ্ছে না হোস্টেলে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র চন্দ জানালেন, বকেয়া গ্যাস বিলের জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বন্ধ রয়েছে ছাত্রাবাস।
এমসি কলেজে ইন্টারমিডিয়েট, অনার্স ও মাস্টার্সে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি। ঐতিহ্যবাহী এই ছাত্রাবাসের ৬টি ব্লকের সামনেই রয়েছে খেলার মাঠ। যে মাঠে সকাল-বিকেল মেধাবীরা খেলা করতো সেগুলো এখন গো-চারণ ভূমি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলা এগুলো গরুর দখলে থাকলেও রাতে পুরো ছাত্রাবাসটি পরিণত হয় মাদকাসক্তের নিরাপদ আস্তানায়।


