বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

স্বতন্ত্র কোম্পানিতে পরিণত হচ্ছে রেলওয়ে

brআমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনার পরিবহনে গতি আনতে অবশেষে স্বতন্ত্র কোম্পানি গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

মূলত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-এডিবি’র নির্দেশনা অনুযায়ী কোম্পানি গঠনে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনাটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আওতায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে একটি ডেডিকেটেড রেল লাইন এবং দু’টি আইসিডি স্থাপন করা হবে। এক্ষেত্রে গতানুগতিক ধারার পরিবর্তে কোম্পানিকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান ব্যবসায়ীদের।

বছরে গড়ে প্রায় ১৫ লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করছে দেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর। আর বছরে এর প্রবৃদ্ধির হার ১৩ শতাংশ। বন্দরের অবস্থান চট্টগ্রামে হলেও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগই রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রিক।

যে কারণে পণ্যবাহী বিপুল কন্টেইনার সড়ক পথে আনা-নেয়ার কারণে সব সময় ব্যস্ত থাকছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের বড় ধরণের ভূমিকা পালনের সুযোগ থাকলেও নানা সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়ে উঠেনি। অবশেষে কিছুটা টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ জানালেন, ‘আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনার পরিবহন সেবা আরো উন্নত করার জন্য পৃথক একটি কোম্পানি গঠনের চিন্তা-ভাবনা করা হয়েছে। এটা চালু করার ক্ষেত্রে সকল কাজ শেষ পর্যায়ে।’ কোম্পানি গঠনের পর এর আওতায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে নতুন লাইনের পাশাপাশি দু’টি আইসিডি স্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিদিন চট্টগ্রাম বন্দরে দু’থেকে আড়াই হাজার কন্টেইনার ডেলিভারি হয়। এর মধ্যে মাত্র ৭০ থেকে ৮০টি কন্টেইনার রেলপথে ঢাকায় পাঠানো হলেও বাকিগুলো পাঠানো হয় সড়ক পথে।

সড়ক পথের চেয়ে খরচ কম এবং ঝুঁকিমুক্ত হওয়ায় কন্টেইনার পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে রেলপথ। কিন্তু নানা জটিলতায় শেষ পর্যন্ত তাদের সড়ক পথকেই ব্যবহার করতে হয়।

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

আরও পড়ুন