র্যাবের সঙ্গে টাঙ্গাইলে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। র্যাব দাবি করেছে, নিহতরা ‘চরমপন্থি’ দলের সদস্য। টাঙ্গাইল র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী বলছেন, মঙ্গলবার রাত সোয়া ৩টার দিকে সদর উপজেলার গুগড়া ইউনিয়নের মইশা গ্রামে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আকবর হোসেন (৪৫) ও মইশা গ্রামের মনু মিয়া (৩৫)। আরও তিন ‘চরমপন্থিকে’ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে মহিউদ্দিন ফারুকী জানান।
হতাহতরা সবাই পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির সদস্য বলে দাবি করেন এই র্যাব কর্মকর্তা।
বন্দুকযুদ্ধে মনিরুল ইসলাম মনির নামে এক র্যাব সদস্যও আহত হয়েছেন। তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
র্যাব কর্মকর্তা ফারুকী জানান, চরমপন্থিদের অবস্থানের খবর পেয়ে র্যাব সদস্যরা রাতে মইশা গ্রামে অভিযানে যায়। তিনি বলেন, “অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ১০/১২ জন চরমপন্থি জোর করে ওই এলাকার শাহাদত হোসেনের বাড়িতে ঢুকে অবস্থান নেয়। র্যাব ওই বাড়িতে গেলে তারা গুলি শুরু করে। র্যাবও জবাব দিলে শুরু হয় গোলাগুলি। এরই একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মনু ও আকবারের মৃত্যু হয়।”
ফারুকী জানান, ঘটনাস্থল থেকে তারা একটি পিস্তল, একটি ওয়ান শুটার গান ও গুলি উদ্ধার করেছেন।
বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সোহাগ জানান, সাড়ে চার বছর আগে নির্বাচনে সদস্য পদে জয়ী হওয়ার পর বছরখানে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করলেও এরপর ‘অনিয়মিত’ হয়ে যান আকবর হোসেন। বিষয়টি জেলা পরিষদেও জানানো হয়েছিল।
তিনি চরমপন্থি দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, “এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে তার জীবনযাপন স্বাভাবিক ছিল না।”


