কর্মস্থলে বা গন্তব্যে যেতে গণপরিবহনে প্রতিনিয়ত নানা ভোগান্তি পোহাতে হয় নারীদের। প্রায়ই হুড়োহুড়িতে বাসে উঠতে পারেন না তারা। উঠলেও পান না নির্ধারিত আসন। নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন থাকলেও দেখা যায় বসে থাকেন পুরুষ যাত্রীরা। কোনটিতে মহিলা আসন থাকে উত্তপ্ত ইঞ্জিনের ওপর। আবার কখনো কখনো পরিবহন শ্রমিক ও পুরুষ সহযাত্রীর দ্বারা হয়রানির শিকার হতে হয় নারীকে।
প্রতি কর্মদিবসেই পুরুষের পাশাপাশি এ যুদ্ধে অবতীর্ণ হন কর্মজীবী নারীরা। গণ পরিবহনে উঠতে নামতে ভোগান্তির পাশাপাশি, উঠার পরও সীট পান না তারা। ফলে যেতে হয় দাঁড়িয়েই।
আবার কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দৌড়ে উঠেন চলন্ত বাসে। মানুষের ভিড়ে নানারকম হয়রানির শিকার নারী ও শিশুরা।
এ অবস্থায় মহিলা বাস সার্ভিস বাড়ানোর দাবি জানালেন তারা।
আর বিআরটিএ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, অনিয়ম ও হয়রানির বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট কাজ করলেও জনসচেতনতা বৃদ্ধি এ সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা।
এ ব্যাপারে পুরুষ যাত্রীদেরকেও সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রীর অ্যাডভোকেট সালমা আলী।
দেশের অগ্রযাত্রাকে তরান্বিত করতে, গণপরবিহনে নারী ও শিশুবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি হয়রানি বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর জোর দিলেন সংশ্লিষ্টরা।


