জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জঙ্গি সংগঠনগুলো আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি সংগঠিত হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। শহীদ হামজা ব্রিগেডের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলোকে অস্ত্রের সঙ্গে দেয়া হচ্ছে বোমা ও গ্রেনেড তৈরির প্রশিক্ষণও।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের ঘটে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি ঘটনায় জঙ্গিদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততার প্রমাণও পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। ২০০৪ সালে শায়খ আবদুর রহমান এবং বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বাধীন জেএমবি’র ভয়ংকর আত্মপ্রকাশের সময় জামায়াত-শিবিরের সাথে সম্পৃক্ততার প্রথম অভিযোগ ওঠে। জেএমবি’র অধিকাংশ নেতা-কর্মীই ছিলো জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত। চট্টগ্রামের লালখান বাজার মাদ্রাসায় গ্রেনেড বিস্ফারণ ঘটনার মূল কারিগর ছিলো শিবির কর্মী নূরন্নবী।
সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় জড়িত জঙ্গি সদস্যদের সাথে জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততার প্রমাণও পেয়েছে পুলিশ। সিএমপি পুলিশ কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল বলেন, ‘জামায়াত-শিবিরের এখনকার যে অবস্থান তাদের মাঠে থাকার কোন সুযোগ নেই। জঙ্গিতে নাম লিখিয়ে তারা আত্মরক্ষার চেষ্টা করছে।’
এদিকে, জঙ্গি সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডের গ্রেফতারকৃত ৩৫ নেতা-কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বের হয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংগঠনটির অন্যতম শীর্ষ নেতা মনিরুজ্জামান ডন এবং গ্রেফতারকৃত তার আরো দু’ভাই বোন সরাসরি শিবিরের রাজনীতির সাথে যুক্ত।
র্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতা উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এদের নেতৃত্বে যারা ছিল তারা সবাই জামায়াত-শিবিরের সদস্য।’ গত ৫ অক্টোবর কর্ণফুলী এলাকা থেকে গ্রেফতারকৃত জেএমবি সদস্য ফুয়াদ এবং ২৩ মার্চ আকবর শাহ থেকে গ্রেফতারকৃত আরশাদ সরাসরি শিবির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলো বলে স্বীকার করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


